মিনাক্ষী দাসঃ শামি কবাব বা রেশমি কাবাব তো অনেক খেয়েছেন! কিন্তু ‘চপলি কবাব’ তার থেকে একেবারেই আলাদা। এটি আকারে বড়ো পাতলা ও বাইরে থেকে অত্যন্ত মুচমুচে হলেও ভেতর থেকে বেশ জুসি। আর এখন রেস্তোরাঁ স্বাদ আপনার নিজের রান্নাঘরেই তৈরী করতে পারেন।

উপকরণঃ ৫০০ গ্রাম মটন কিমা, ১টি ডিম, ১টি মাঝারী মাপের পেঁয়াজ কুচি, ১টি বীজ ছাড়া টমেটো কুচি, ২ টেবিল চামচ ধনেপাতা কুচি, ২টি কাঁচা লঙ্কা কুচি, ২ টেবিল চামচ বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার, ১ টেবিল চামচ আদা-রসুন বাটা, ১ চা চামচ আনারদানা (আধভাঙা), ১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো, ১ চা চামচ ভাজা জিরে গুঁড়ো, আধা চা চামচ গরম মশলা গুঁড়ো, স্বাদমতো শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো ও পরিমাণমতো নুন-তেল।

প্রণালীঃ প্রথমে একটি পাত্রে কিমা নিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, ধনেপাতা কুচি, আদা-রসুন বাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এতে নুন, ধনে গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, ভাজা জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা এবং আধভাঙা আনারদানা মিশিয়ে নিন। আনারদানা কবাবের স্বাদে একটি সুন্দর টক ভাব নিয়ে আসে। মিশ্রণটি যাতে ছেড়ে না যায়, তার জন্য বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার মেশান। চাইলে একটি ডিমও ফেটিয়ে দিতে পারেন, এতে কবাব আরও নরম হয়। সব উপকরণ দিয়ে কিমা ভালো করে মেখে ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখুন।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereহাতের তালুতে সামান্য তেল মেখে কিমার মিশ্রণ থেকে ছোট বল তৈরি করে তা হাতের চাপে চ্যাপ্টা ও পাতলা আকার দিন। মনে রাখবেন, ভাজার সময় কিমা কিছুটা ছোট হয়ে যায়, তাই একটু বড় ও পাতলা করে গড়া ভালো। তাওয়ায় তেল গরম করে মাঝারি আঁচে কবাবগুলো দিন। দু’পিঠ লালচে সোনালি এবং মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত ধীর আঁচে ভাজুন। আঁচ বাড়িয়ে ভাজলে কবাব ভেতর থেকে কাঁচা থেকে যেতে পারে। সবশেষে পেঁয়াজ কুচি, পুদিনার চাটনি আর লেবু দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ইসলামাবাদের এই সিগনেচার ডিশ।











