মিনাক্ষী দাসঃ ভাত বেঁচে গেলে কি ফেলে দেন? না পান্তা করে খেয়ে ফেলেন? এখন থেকে বেঁচে যাওয়া অতিরিক্ত ভাত দিয়েই সুস্বাদু স্ন্যাক্স তৈরী করে ফেলতে পারেন। তাও আবার গ্যাসের খরচ বাঁচিয়ে। আর তা যদি রেস্তোরাঁর মতো সুস্বাদু ও কুড়মুড়ে স্ন্যাক্স বানাতে হয়, তাহলে চটপট দেখে নিন রেসিপি। সবই করা যাবে এয়ার ফ্রায়ারে স্বাস্থ্যকর উপায়ে।

রাইস বলঃ ভাত চটকে তাতে মিহি করে কাটা পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা ও কর্নফ্লাওয়ার মেশাতে হবে। গোল পাকানোর সময় মাঝখানে এক টুকরো চিজ দিতে হবে। এবার সামান্য তেল ব্রাশ করে ১৮০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় দশ মিনিট এয়ার ফ্রাই করতে হবে। আর লালচে সোনালী হয়ে গেলে বার করে খানিকটা ধনেপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে।
রাইস নাগেটঃ বেঁচে যাওয়া ভাত দিয়েও নাগেট বানানো যায়। ছোটোরা এই স্ন্যাক্স খুবই পছন্দ করবে। ভাতের সাথে পনির বা চিকেন কিমা এবং গোলমরিচ মিশিয়ে বেটে নিতে হবে। এরপর ছোটো ছোটো গোল বা চ্যাপ্টা করে নাগেটের আকার দিয়ে ডিমের ব্যাটারে চুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়োয় মাখিয়ে ১৮০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পনেরো মিনিট এয়ার ফ্রাই করলেই হবে। কেনা নাগেটের চেয়ে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর হবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
রাইস ক্র্যাকারঃ ভাতের সাথে সামান্য তিল, অলিভ অয়েল ও নুন দিয়ে ভালো করে চটকে নিতে হবে। তারপর দু’টি পার্চমেন্ট পেপারের মাঝে রেখে বেলন দিয়ে খুব পাতলা করে বেলে নিতে হবে। আর ছোটো ছোটো চৌকো আকারে কেটে এয়ার ফ্রায়ারে দশ মিনিট বেক করলেই হবে। এটি চায়ের সাথে খেতে দারুণ লাগবে।
রাইস কাটলেটঃ ভাতের সাথে সেদ্ধ আলু, গাজর কুচি, মটরশুঁটি এবং চাট মশলা মিশিয়ে কাটলেটের আকার দিতে হবে। এরপর ব্রেডক্রাম্বে মাখিয়ে নিয়ে এয়ার ফ্রায়ারে ১৫০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পনেরো মিনিট রাখতে হবে। ব্যাস তাহলেই প্রস্তুত। স্ন্যাক্স হিসেবে দারুণ লাগবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereরাইস অ্যান্ট ওট্স টিক্কিঃ ডায়েট করলে শুধু ভাতের সাথে ওট্স মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ওট্স গুঁড়ো করে তার সাথে পালং শাক কুচি ও পনিরের টুকরো মিশিয়ে ছোটো ছোটো কিউবের আকার দিতে হবে। সবশেষে এয়ার ফ্রায়ারে প্রায় দশ মিনিট সেঁকে নিলেই মেনু এক্কেবারে রেডি। যা ক্যালোরিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।











