"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবীকে ঘিরে উত্তপ্ত ইম্পার অফিস

Share

চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই ইম্পাকে ঘিরে অশান্তির পারদ চড়ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক বৈঠক হলেও এখনো সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। কিন্তু আজ ফের ইম্পার অফিস উত্তাল হয়ে ওঠে। সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ সদস্যদের সঙ্গে তুমুল বচসা বাঁধে বৈঠকে উপস্থিত একাংশের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, মাঝপথেই মিটিং ছেড়ে বেরিয়ে যান পিয়া।

সংগঠনের অন্দরমহলে খবর ছিল, পিয়াকে সরানোর দাবিতে আবারও গোলমাল হতে পারে। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়। বৈঠক চলাকালীন ইম্পার অফিসে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে। বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে এসে পিয়া সেনগুপ্ত অভিযোগ করেন, ইম্পার বাইরের লোকজনকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ভিতরে আনা হয়েছে। তাঁর দাবি, কিছু পিআর কর্মী এবং বহিরাগতদের মিটিংয়ে ঢুকিয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হয়েছে। এমনকী পুলিশের সামনেও তাঁকে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ক্ষোভ উগরে দিয়ে পিয়ার প্রশ্ন, ‘এটা কি কোনও রাজনৈতিক দলের অফিস, যেখানে বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি করা হবে? আমি থানায় যাব।’ পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, মিটিংয়ে তাঁকে শারীরিক হেনস্থারও চেষ্টা করা হয়।

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠায় থানায় যাওয়ার সিদ্ধান্তও নেন তিনি। পিয়া জানান, বৈঠকে এমন বহু মানুষ ছিলেন যাঁরা ইম্পার সদস্যই নন। তাই তাঁদের উপস্থিতিতে কোনও সাংগঠনিক আলোচনা হতে পারে না বলেই মত তাঁর। পাশাপাশি কয়েকজন প্রযোজক ও পরিচালকের বিরুদ্ধেও বহিরাগত আনার অভিযোগ তোলেন তিনি। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতেই ফের বৈঠক শুরু হয়। সেখানে ধ্বনিভোটের মাধ্যমে অস্থায়ী সভাপতি হিসেবে রতন সাহার নাম প্রস্তাব করা হয়। যদিও সেই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ বর্তমান সভাপতি। পিয়া স্পষ্ট জানান, যেভাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁকে সরাতেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।


তাঁর অভিযোগ, বিরোধী গোষ্ঠী পুলিশ বা সংগঠনের নিয়ম কোনও কিছুই মানতে চাইছে না। নিজেরাই নতুন কমিটি গঠন করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পিয়ার বলেন, ‘আমরা আইনের পথেই এগোব।’ অন্যদিকে শতদীপ সাহা আগেই অভিযোগ করেছিলেন, প্রথমে পিয়া সেনগুপ্ত পদত্যাগে রাজি হলেও পরে আচমকাই নিজের অবস্থান বদলে ফেলেন। তাঁর দাবি, বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক প্রমাণ তাঁদের হাতে রয়েছে এবং খুব শিগগিরই তা প্রকাশ্য আনা হবে। শতদীপের বক্তব্য, ‘এই কমিটিকে আমরা বৈধ বলে মানি না। এই কমিটিকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না। তাই আমরা মেম্বারদের সমর্থনেই আপাতত অস্থায়ী সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব নেবেন রতন সাহাকে।’


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031