নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নদীয়াঃ নদীয়ার চাপড়ায় এক যুবতীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতার বাপের বাড়ির সদস্যদের অভিযোগ, “মেয়েকে তার স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি পণের দাবীতে পিটিয়ে খুন করে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে।” মৃতার নাম ফুলমণি খাতুন।

মৃতার পরিবারের অভিযোগ, “ফুলমণির সাথে চাপড়া থানার মুসলিম পাড়া এলাকার বাসিন্দা লাল্টু শেখের বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু প্রায়শই ফুলমণির উপর বাপের বাড়ি থেকে পণের টাকা আনার জন্য চাপ দেওয়া হত। তবে সেই দাবী না মানায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা অত্যাচার করতেন। আর দিনের পর দিন অত্যাচারের মাত্রা বেড়েই চলেছিল। এমনকি সম্প্রতি ফুলমণি দশ হাজার টাকা চেয়ে বাবাকে ফোন করেছিল। সেই মতো যুবতীর বাবা টাকা দিয়েও দেন। এরপর আরো টাকা চেয়ে পাঠানো হলে আর টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই ফুলমণিকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ফুলমণির পরিবারের সদস্যরা চাপড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত লাল্টু পলাতক হওয়ায় লাল্টুর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









