নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বাংলায় প্রথম দফার ভোটের দিন হুগলির পুরশুড়া থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, “বাংলার কিছু মানুষ আমাকে বলেছেন, আমরা তো ভোট দিতে চাই। কিন্তু আমরা গুন্ডাদের ভয় পাই। আরামবাগবাসী কি গুন্ডাদের ভয় পায়? ভয় পাবেন না। আমি দিদির গুন্ডাদের বলে দিতে চাই, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে বের হবেন না। ২৯ তারিখে যদি কোনও গুন্ডামি চলে, তাহলে পাঁচ তারিখের পর উল্টো দিকে ঝুলিয়ে সোজা করে দেব।” শুধু তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেওয়া নয়, আলু চাষিদেরও আশ্বাস দিলেন শাহ।

এদিন পুরশুড়া বিধানসভার মায়াপুরে জনসভা করেন শাহ। আরামবাগ ও পুরশুড়া বিধানসভার দুই প্রার্থী বিমান ঘোষ ও হেমন্ত বাগের সমর্থনে এসে আলু চাষিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের আলুর রাজধানী হল পুরশুড়া। ঝাড়খণ্ড, বিহার, ওড়িশায় বন্ধ করে দিয়েছে আলু পাঠানো। তাই আলুর দাম পড়ে গিয়েছে। তাই ২০ টাকার আলু ২ টাকা হয়ে গিয়েছে। আমি আজ বলে যাচ্ছি, পাঁচ তারিখে বিজেপি সরকার গড়ে দিন, আমি আলু বাইরে পাঠাব।”

এ বছর আলু চাষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চাষিরা। এই নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহ বলেন, “বিজেপি সরকার হলে আলু বাইরে যাবে। দাম পাবেন। এখানে এত পরিমাণে আলুর জমি থাকা সত্ত্বেও বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেই। পঞ্জাব থেকে আসে। নরেন্দ্র মোদী এখানে বীজ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। বীজের দাম অর্ধেক দাম হয়ে যাবে। আলুর দাম দশ গুণ বেশি পাবেন। আলু চাষিদের এর থেকে বড় পাওনা আর কী হতে পারে। আমাদের ইস্তাহারে ঠিক করেছি এই জেলা থেকে বিষ্ণুপুর পর্যন্ত আলুর চিপস কারখানা হবে।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সরব হলেন শাহ। বলেন, “আমরা ঠিক করেছি আপনারা বিজেপি সরকার আনুন, বাংলা থেকে প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বের করে বাংলা থেকে তাড়াব। পুরশুড়া-আরামবাগবাসী বলুন, অনুপ্রবেশকারীদের এখানে রাখা উচিত নাকি তাড়ানো দরকার? এই অনুপ্রবেশকারীরাই আমাদের যুব সমাজের চাকরিগুলোকে খেয়ে নিয়েছে। গরিবের চাল খেয়ে নিয়েছে। সেইগুলোই ভোট দেয় দিদিকে। তাদের নাম এসআইআর-এ বাদ যাওয়ায় দিদি হাঁউহাঁউ করছেন। দিদি শুনুন, পাঁচ তারিখের পর আপনার আর ভাইপোর সময় শেষ। আর এখানে বিজেপি সরকার হবে। তার পর প্রত্যেক অনুপ্রবেশকারীকে বের করে বাংলাদেশে পাঠাব।”










