নিজস্ব সংবাদদাতাঃ দুর্গাপুরঃ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন একাধিক কড়া নির্দেশিকা দিয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের সব স্তরের আধিকারিকদের শান্তিপূর্ণ এবং হুমকিহীন নির্বাচন করার জন্য স্পষ্ট নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। এর মাঝেই দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে কমিশনের দুই আধিকারিককে মারধরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিন জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম নন্দলাল শাহ, রবি পাসোয়ান ও প্রসেনজিৎ মহাদানি। এদের মধ্যে রবির বাড়ি স্থানীয় লিলুয়াবাঁধ এলাকায় এবং প্রসেনজিৎ ও নন্দলালের বাড়ি করঙ্গপাড়ায়।

গতকাল দুর্গাপুরের করঙ্গপাড়া এলাকায় দেওয়াল লেখা মুছে দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোলমালের সূত্রপাত। নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু হয়ে যাওয়ার পরে কোনো সরকারী প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দলের পোস্টার, ব্যানার, দেওয়াল লিখন করা যায় না। কিন্তু তৃণমূলের তরফে করঙ্গপাড়ায় একটি ডাকঘরের দেওয়ালে প্রচারের বার্তা লেখা হয়। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা খবর পেয়ে দুই পুলিশ কর্মীকে সাথে নিয়ে করঙ্গপাড়ায় এসে দেওয়াল লিখন মুছে দেন।

অভিযোগ, ‘‘নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা ফেরার পথে তাদের উপরে আক্রমণ করা হয়। তৃণমূলের প্রায় কুড়ি জন যুবক ওই কর্মীদের উপর হামলা চালায়। নির্বাচন কমিশনের দুই আধিকারিক বিট্টু গুপ্তা এবং সূর্যকান্ত পালকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়।’’ এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কোক ওভেন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। আর মারধরের ঘটনায় চার জন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে এই ঘটনার তদন্তে নেমে তিন জনকে গ্রেফতার করে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত এই প্রসঙ্গে জানান, ‘‘ডাকঘর ভবনটি এক জন ব্যক্তির মালিকানাধীন। ভাড়া নিয়ে ডাকঘর চলছে। ওটা সরকারী সম্পত্তি নয়। ভবনটির মালিক দেওয়াল লেখার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছেন। তবে নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের আক্রমণ করার ঘটনা সমর্থন করি না।’’











