"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

শুভেন্দু বুথ পরিদর্শনে যেতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলো ভবানীপুর

Share

চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ কালীঘাটে বুথ পরিদর্শনে গিয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৭ এবং ২১৮ নম্বর বুথের সামনে তিনি গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘চোর স্লোগান’ দেওয়া হয়। শুভেন্দুর অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা সকলেই বহিরাগত। তাঁর উপর আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। এই পরিস্থিতিতে ফোন করে নির্বাচন কমিশনের কাছে ওই এলাকায় আরও বাহিনী পাঠানোরও অনুরোধ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ফোনে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আরও সিআরপিএফ পাঠান।’ এই নিয়ে উত্তেজনার সময় পাল্টা ‘পিসি চোর’, ‘ভাইপো চোর’, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও তোলেন বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা।

কালীঘাটে বুথ পরিদর্শনে গিয়ে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২১৭ এবং ২১৮ নম্বর বুথের সামনে তিনি গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘চোর স্লোগান’ দেওয়া হয়। শুভেন্দুর অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা সকলেই বহিরাগত। তাঁর উপর আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। এই পরিস্থিতিতে ফোন করে নির্বাচন কমিশনের কাছে ওই এলাকায় আরও বাহিনী পাঠানোরও অনুরোধ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ফোনে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আরও সিআরপিএফ পাঠান।’ এই নিয়ে উত্তেজনার সময় পাল্টা ‘পিসি চোর’, ‘ভাইপো চোর’, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানও তোলেন বিজেপির কর্মী ও সমর্থকেরা।

বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই ভবানীপুরের বুথে বুথে ঘুরছেন শুভেন্দু। সকালে চক্রবেড়িয়ায় মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রায় মুখোমুখিও হয়েছিলেন তিনি। তা নিয়ে একপ্রস্ত উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এর পর কালীঘাটে জয় হিন্দ ভবনে বিরোধী দলনেতা বুথ পরিদর্শনে যেতেই তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, হরিশ মুখার্জি লাগোয়া রাস্তায় তাঁকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়।


শুভেন্দু দাবি করেছেন, বিক্ষোভকারীরা কেউই এলাকায় বাসিন্দা নন। তাঁরা বাইরের লোক। এর পরেই সেখান থেকে চলে যাওয়ার সময় কোনও এক ব্যক্তিকে ফোন করতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থীকে। ফোনে তাঁকে আরও বাহিনী পাঠানোর অনুরোধ করতে দেখা যায়। এই ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য লিখেছেন, ‘ভবানীপুরের সত্য সামনে চলে এসেছে। শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছতেই ভুয়ো ভোটার ধরা পড়ল। এত দিন ধরে ভুয়ো ভোটারদের ভোটেই জিতেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এ বার তা ঘটবে না। বাংলার মানুষ দেখছেন এবং প্রতিরোধ করছেন।’


পাল্টা তৃণমূলের দাবি, এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোটই হচ্ছিল। শুভেন্দুই উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয় ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা মমতার ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘শুভেন্দুর উপর কোনও হামলা হয়নি। উনি মিথ্যে কথা বলছেন। উনিই ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের ‘ঠিকঠাক জায়গায় ভোট দেবেন’ বলার উনি কে? সাধারণ মানুষ ওঁর উপর খেপে গিয়ে চোর চোর স্লোগান দিয়েছে। তৃণমূল কিছু করেনি।’

পরে অবশ্য ঘটনাস্থলে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাঠিচার্জেরও অভিযোগ উঠেছে। সেই সময় শুভেন্দুকেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে দৌড়তে দেখা যায়। তার কিছু ক্ষণ পরেই তিনি এলাকা ছাড়েন। কলকাতা পুলিশের কর্তা দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং বলেন, ‘কিছু ঘটনা ঘটেছিল। তাই আমরা এসেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে।’ পরে শুভেন্দু দাবি করেন, ‘বাইরে থেকে লোক এনে ভোটারদের প্রভাবিত করছিল। আমি কিছুক্ষণ পেশেন্টলি অ্যালাউ করেছি। তার পর তাড়া করে কালীঘাটের নালায় গিয়ে ফেলে দিয়েছি।’


কালীঘাটে যাওয়ার আগে মিত্র ইনস্টিটিউশনের ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। প্রতিদ্বন্দ্বী মমতা এই বুথেরই ভোটার। সেখানে গিয়ে শুভেন্দুর দাবি, ‘এই বুথেও আমি জিতব।’ তাঁর সংযোজন, ‘ভবানীপুরে মূলত গন্ডগোল করে ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। কেন্দ্রীয় বাহিনী ভালো করে এই দুই জায়গায় টাইট দিয়ে দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৫% ভোট পড়েছে। এর পর আর বৃষ্টি হবে না। ফলে পরবর্তী ২ ঘণ্টায় হু হু করে ভোট বাড়বে। ৮০% ভোট পড়লে আমি জিতব। ৯০% ভোট পড়লে ব্যবধান বাড়বে। ৭৭ ছাড়া বাকি সব কটি ওয়ার্ডেই আমি এগিয়ে থাকব।’

শুভেন্দু জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁকে ফোন করে ভোটের খোঁজ নিয়েছেন। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘আমি ধীর গতিতে ভোট হওয়ার বিষয়টি বলেছি। উনি পরামর্শ দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলতে। ভোটারদের অনুরোধ করব, এ বারের ভোট অন্য রকম। বড় দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সহযোগিতা করুন। একটু সময় দিন। হয়তো একটু অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু ভোট না দিয়ে বাড়ি যাবেন না। সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর যা ভূমিকা, তাতে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর লোকেদের মুখ শুকিয়ে গিয়েছে।’

DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930