নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ প্রতি লিটার পেট্রোল-ডিজেলে এক্সাইজ ডিউটি দশ টাকা কমানো হয়েছে। গতকাল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে কেন্দ্র বিষয়টি জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানী তেলের দাম একশো ডলার পার করেছে। যার জেরে দেশের অয়েল মার্কেটিং কোম্পানীগুলির ইনপুট কস্ট লাফিয়ে বেড়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতেই কেন্দ্র রিটেল মার্কেটে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ায়নি। ফলে তেল কোম্পানীগুলিকে ক্রুড অয়েলের দামের এই বর্ধিত মূল্যের চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। আর সেই চাপের বোঝা কিছুটা কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে।

হরদীপ সিং পুরি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘গত এক মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রু়ড অয়েলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলার থেকে ব্যারেল প্রতি ১২২ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। এর জেরে গোটা বিশ্বে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে তা ত্রিশ শতাংশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ বেড়েছে। উত্তর আমেরিকার দেশগুলিতে তা ত্রিশ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপে প্রায় কুড়ি শতাংশ ও আফ্রিকার দেশগুলিকে পঞ্চাশ শতাংশ বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মোদী সরকারের সামনে দু’টো বিকল্প খোলা ছিল। অন্যান্য দেশের মতো পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া বা আন্তর্জাতিক অস্থিরতার আঁচ ভারতীয়দের গায়ে না লাগতে দেওয়া। তাই সাধারণ মানুষের স্বার্থ সুরক্ষিত করার পদক্ষেপই কেন্দ্র করেছে। এই ধাক্কা সরকার নিজে সহ্য করছে।’
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
আবার এক্সাইজ ডিউটি কমানোর প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছেন, ‘‘পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী একটি বৈঠক করেছিলেন। সেখানেই পেট্রোল-ডিজেলের খুচরো দাম না বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের উপর এই পরিস্থিতির চাপ যাতে না পড়ে সে জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্তরে দাম বৃদ্ধির জেরে অয়েল কোম্পানীগুলির উপর চাপ বাড়ছিল। তাদের কিছুটা স্বস্তি দিতে সরকার এই শুল্ক কমিয়েছে।’’ এর পাশাপাশি দেশে শোধিত পেট্রোল এবং ডিজেল যাতে বিদেশে রপ্তানী করা না হয়, সে দিকেও কড়া নজর রাখার কথা জানিয়েছেন।











