নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের জেরে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যেই সরকার রান্নার গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম জারি করলো। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের নতুন আদেশ অনুযায়ী, ‘‘নিয়ম না মানলেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে রান্নার গ্যাস অর্থাৎ এলপিজি কানেকশন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’’

ভারতে রান্নার গ্যাস সরবরাহের নতুন নিয়মে PNG (পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস) ব্যবহারে জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্দেশ অনুযায়ী, ‘‘যেসব এলাকায় ইতিমধ্যেই পিএনজি পরিষেবা পৌঁছে গিয়েছে, সেখানে যদি কোনো পরিবার এই সংযোগ নিতে অস্বীকার করে, তাহলে নির্দিষ্ট সময়সীমার পরে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ বিজ্ঞপ্তি পাওয়ার পরে কোনো পরিবার পিএনজি বেছে নেওয়ার জন্য মাত্র তিন মাস সময় পাবে। তার মধ্যে পিএনজি না নিলে এলপিজি ব্যবহারের সুযোগ হারাতে হবে।’’

অর্থাৎ সরকার শুধুমাত্র উৎসাহ দিচ্ছে না, বরং কার্যত বাধ্যতামূলকভাবে এলপিজি থেকে পিএনজিতে রূপান্তরের পথে এগোচ্ছে। আর পিএনজি সুবিধা রয়েছে এমন এলাকায় একসাথে এই দুই ধরণের গ্যাসের কানেকশন রাখা যাবে না। ফলে ভবিষ্যৎ এ যেসমস্ত এলাকায় গ্যাসের পাইপলাইন পৌঁছে যাবে, সেখানে নতুন করে এলপিজি সংযোগ নেওয়া বা পুরনো সংযোগ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ক্রমশ সীমিত হয়ে আসবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereনতুন নীতিতে জারি হওয়া নিয়মঃ
- আবাসন, হাউজিং সোসাইটি বা RWA-কে পাইপ বসানোর অনুমতি দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
- তিন দিনের মধ্যে অনুমতি না দিলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমোদিত বলে ধরা হবে।
- পিএনজি সংযোগের জন্য ‘last-mile connectivity’ খুব দ্রুত (৪৮ ঘণ্টার মধ্যে) দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

মূলত এলপিজি গ্যাসের উপর নির্ভরতা কমানো, পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাকে দ্রুত বাড়ানো সহ জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেখানে পাইপ লাইন রয়েছে সেখান থেকে এলপিজি সরিয়ে অন্য এলাকায় সরবরাহ বাড়ানোও এই নীতির অন্যতম একটি উদ্দেশ্য। সব মিলিয়ে, এই নতুন নীতির মাধ্যমে সরকার ধীরে ধীরে দেশের রান্নার গ্যাস ব্যবস্থাকে সিলিন্ডার নির্ভরতা থেকে পাইপ লাইন নির্ভর ব্যবস্থায় রূপান্তর করতে চাইছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here










