রায়া দাসঃ কলকাতাঃ ভোটের খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন যত এগিয়ে আসছে ক্রমেই অমিল ভোটারের সংখ্যা বাড়ছে। গতকাল যে সংখ্যা ২৮ লক্ষের কাছাকাছি ছিল। আজ তা বেড়ে ৩৫ লক্ষ ছুঁয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ২৯ শে নভেম্বর দুপুর ৩টে অবধি রাজ্যে ডিজিটাইজড এনিউমারেশন ফর্মের সংখ্যা ৬ কোটি ৮৮ লক্ষ। অর্থাৎ ৮৮.৫০ শতাংশ ডিজিটাইজ়েশনের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর তার পরেই সেই তথ্যের উপরে ভিত্তি করে এই সংখ্যা সামনে এসেছে।

রাজ্যের বর্তমান ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০০২ ও তার পরে দেশ জুড়ে যে যে জায়গায় SIR হয়েছিল, সেই তালিকা মিলিয়ে দেখাই ম্যাপিং। ম্যাপিং-এর ক্ষেত্রে এও দেখা হয়, কোনও ভোটারের বাবা, মায়ের নাম শেষবারের SIR তালিকায় রয়েছে কি না। যদি সংযোগ খুঁজে পাওয়া যায়, তবে খুব সহজেই তাঁরা চিহ্নিত হয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের ২০২৬-এর তালিকায় নাম ওঠার ক্ষেত্রেও সমস্যা হবে না। তবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, এখনও ডিজিটাইজ়েশনের কাজ চলছে। ফলে এই ম্যাপিং-এ অমিলের সংখ্যা বাড়তেও পারে, আবার কমতেও পারে। রাজ্যের CEO দপ্তর সাধারণ মানুষের সংশয় দূর করতে একাধিক বার জানিয়েছে, ম্যাপিংয়ে হদিশ না পাওয়া মানে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ে যাওয়া নয়।

কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনও নথি দিতে হবে না। তবে, যাঁদের নাম বা কোনও পূর্ব সূত্র পাওয়া যাবে না, তাঁদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করে দেখবে কমিশন। আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে খসড়া ভোটার তালিকা। ৯ তারিখই একটি তালিকাও প্রকাশ করা হবে, যেখানে মৃত, ভুয়ো, স্থানান্তরিত ও অনুপস্থিত ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর পরেই ERO-রা শুনানিতে ডাকবেন। আর তার পরেই শুরু হবে তথ্য যাচাইয়ের পর্ব। তবে, যে হারে ম্যাপিং না হওয়া ভোটারের সংখ্যা বাড়ছে, সে ক্ষেত্রে এই সংখ্যা কোথায় গিয়ে পৌঁছয়, এখন সেটাই দেখার।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









