"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

লক্ষাধিক টাকার সোনা কিনে ঘোর বিপদে পড়লো প্রৌঢ়

Share

অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ সম্প্রতি শ্যামপুকুরে ৬৩ বছরের এক বৃদ্ধকে প্রতারকরা রুপোর পুরোনো মুদ্রা দেখিয়ে ফাঁদে ফেলেন। নকল সোনার হার হাতে তুলে দিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

জানা গিয়েছে, প্রতারিত ব্যক্তি শ্যামপুকুর স্ট্রিটের বাসিন্দা অসীম কুমার দে স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়ার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী। বাড়িতে স্ত্রী চন্দনা ও ৩০ বছর বয়সী ছেলে অর্চন আছে। অর্চন একটি বহুজাতিক সংস্থার সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।


এই প্রতারণার বিষয়ে অসীমবাবু জানান, “অতি সম্প্রতি অসীমবাবু ভূপেন বসু অ্যাভিনিউ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাকে এক ব্যক্তি দু’টি পুরনো রুপোর মুদ্রা দেখিয়ে সেগুলি কোথায় বদল করা যায় তা জানতে চান। এরপর অসীমবাবু কথায় কথায় জানতে পারেন ওই ব্যক্তির কাছে অনেক রুপোর মুদ্রা রয়েছে।


তখন অসীমবাবু বলেন, “এই মুদ্রা গুলো বদল করলে বেশী টাকা পাওয়া যাবে না। বরং আমায় বিক্রি করে দিন”। তখন ওই ব্যক্তিও রাজি হয়ে যান। এরপর একটি রুপোর মুদ্রা নিয়ে সোনার দোকানে গিয়ে জানতে পারেন যে প্রতিটি মুদ্রা ছয়শো টাকায় বিক্রি হতে পারে।


তারপর ওই ব্যক্তিকে বলেছেন, “এক-একটি মুদ্রা চারশো টাকায় কিনতে পারবেন। এরপরেই ওই ব্যক্তি রাজি হয়ে অসীমবাবুকে হাওড়া স্টেশনে আসতে বলেন। প্রতারক ব্যক্তি নিজেকে লিলুয়ার বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। ওই দিন ওই ব্যক্তি নিজের দাদা এবং মাকে নিয়ে স্টেশনে আসেন।

সেখানেই অসীমবাবুকে দু’টি সোনার হার দেখানো হয়। পরীক্ষা করার জন্য এক টুকরো অংশ দেওয়া হয়। আর সব ঠিক আছে দেখে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকায় সমস্ত সোনার হার কিনে নেন। তারপরেই অন্য সোনার দোকানে বিক্রি করতে গিয়ে জানতে পারেন সব নকল সোনা।

এই ঘটনার পরেই শ্যামপুকুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু শ্যামপুকুর থানার পুলিশের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে আবারও লালবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031