পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ বারুইপুরের ঘটনায় যুক্ত হলো গণধর্ষণের ধারা। তারই সঙ্গে সোমবার দুই ধৃতকে ১৪ দিনের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বারুইপুরের ঘটনায় একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে প্রভাস মণ্ডলকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর তদন্তের অগ্রগতিতে দিবাকর সর্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার আরও এক অভিযুক্ত আনন্দ সর্দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে বুধবার আদালতে তোলা হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধারা ৭০(২): গণধর্ষণ, ধারা ১০৩(১): খুন, ধারা ২৩৮: তথ্য-প্রমাণ লোপাট, ধারা ৬১: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, পকসো আইনের ধারা ৬, ধারা ১৩৭(২) ও ১৪০(২): নাবালিকাকে অপহরণ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে এবং ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগেই এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে প্রভাস মণ্ডল ও দিবাকর সর্দার। তাদের মঙ্গলবার বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও বিশেষ গুরুত্বের মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং অন্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি, তথ্য-প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









