নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ ১৬ ই এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করল। আইন মন্ত্রকের তরফে একটি গেজেট নোটিফিকেশন বের করা হয়েছে। সেখানেই মহিলা সংরক্ষণ আইনকে কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, আজই সংসদে তিন বিল নিয়ে ভোটাভুটি রয়েছে। তার আগেই কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ সালের পুরনো বিলকেই কার্যকর করেছে।

২০২৩ সালে এর আগে মহিলা সংরক্ষণের বিল আনা হয়েছিল। সেই সময় বিল পাশও হয়ে যায়। কিন্তু, সেইসময় আইন কার্যকর করা হয়নি। বিলে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ওই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর একবার গেজেট নোটিফিকেশন করেছিল কেন্দ্র। সেখানে বলা হয়েছিল, ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় সরকার যখন মনে করবে তখন গেজেট নোটিফিকেশন জারি করে এই বিলকে আইন হিসেবে লাগু করবে। এবার সেই পুরনো পাশ হওয়া বিলকেই এবার আইন হিসেবে কার্যকর করল কেন্দ্র।
২০২৩ সালের মহিলা সংরক্ষণ বিলে বলা হয়েছিল, ২০২৭-এর জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপরই সেই আসন পুনর্বিন্যাসের উপর ভিত্তি করেই সংসদে ৩৩ শতাংশ মহিলা আসন সংরক্ষণ করা হবে। সেকারণে তখন আইন হিসেবে কার্যকর করা হয়নি। কেন্দ্র ওই বিলকে নতুন করে পেশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। আর তার ভিত্তিতেই মহিলা আসন সংরক্ষিত হবে। গতকালই সংশোধনী বিল পেশ করা হয়েছে সংসদে। আর নিয়ম অনুযায়ী, কোনও বিলকে নতুন করে পেশ করা হলে পুরনো বিল বাতিল হয়ে যায়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereএদিকে, লোকসভায় সংখ্যার হিসেব বলছে প্রস্তাবিত বিল পাস করতে সরকারেরব পক্ষে প্রয়োজনীয় দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন নেই। সেটা আঁচ করতে পেরেই কি পুরনো বিলকে আইন হিসেবে কার্যকর করা হল? কারণ আজ যদি সংশোধনী বিলে সমর্থন না পাওয়া যায়, তাহলে পুরনো বিলও বাতিল হয়ে যেতে পারে। প্রসঙ্গত, লোকসভায় এনডিএ সদস্য সংখ্যা ২৯৩। এদিকে যদি ৫৪৩ জন সাংসদই উপস্থিত থাকেন তবে বিল পাস করাতে প্রয়োজন ৩৬০ জনের সমর্থন। বাকি ৬৭ জন সাংসদের সমর্থন সরকার কীভাবে জোগাড় করবে কেন্দ্র, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এদিকে ডিলিমিটেশন বিলকে রুখতে মরিয়া বিরোধী শিবির।











