নিজস্ব সংবাদদাতাঃ ঝাড়খণ্ডঃ উন্নত চিকিৎসার আশায় অগ্নিদগ্ধ এক জন রোগী চার্টার্ড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেপে রাঁচি থেকে দিল্লি পাড়ি দিচ্ছিলেন। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যাবেলা মাঝআকাশে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলার একটি গভীর জঙ্গলে হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ৭ জন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

অসামরিক বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যাবেলা ৭টা ১১ মিনিট নাগাদ বিমানটি রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা শুরু করে। রাতেরবেলা দশটা নাগাদ দিল্লিতে অবতরণের কথা ছিল। তবে ওড়ার প্রায় পঁচিশ মিনিটের মধ্যে কলকাতা, সি এটিসির সাথে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এদিকে, বিমানটি দুর্ঘটনার ঠিক আগে মাঝআকাশে চোদ্দ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। কিন্তু পাইলট আঠারো হাজার ফুট উচ্চতায় যাওয়ার জন্য এটিসির কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। সূত্রের খবর, পাইলটরা খারাপ আবহাওয়ার কারণেই উচ্চতা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন।

এরপরেই বিমানটি বারাণসী থেকে প্রায় একশো নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে থাকাকালীন রাডার থেকে হারিয়ে যায়। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঠিক কি কারণে & ইতিমধ্যেই এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর একটি বিশেষ তদন্তকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে মোট সাত জন সওয়ারী ছিলেন। পাইলট-ইন-কম্যান্ড বিবেক বিকাশ ভগত, কো-পাইলট সবরাজদীপ সিং সহ চিকিৎসক ডাঃ বিকাশ কুমার গুপ্ত, প্যারামেডিক স্টাফ শচীন কুমার মিশ্র, রোগীর দুই আত্মীয় অর্চনা দেবী ও ধুরু কুমার এবং রোগী সঞ্জয় কুমার ছিলেন। উল্লেখ্য, বিমানটি বিচক্র্যাফট কিং এয়ার বিই৯এল মডেলের ছিল। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাটি দিল্লির রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের ছিল।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









