ব্যুরো নিউজঃ ইরানঃ শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ আঘাতটা আসার কথা ছিল আমেরিকার কাছ থেকে। সেই মতো প্রস্তুতিও নিচ্ছিল ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস। কিন্তু শনিবার আচমকাই মিসাইল হামলা চালাল ইজরায়েল। প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল তেহেরান। মুহূর্তের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালো ধোঁয়ার ঢেকে যায় রাজধানী। ইতিমধ্যে হামলার কথা স্বীকার করে নিয়েছে ইজ়রায়েলি সেনা। পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানেরও।

সূত্রের খবর, এ দিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ আচমকাই সাইরেন বেজে ওঠে হাইফা, তেল আভিভ-সহ ইজ়রায়েলের একাধিক এলাকায়। তার পরেই মিসাইল হামলা শুরু হয় তেহরানে। প্রথম মিসাইলটি আছড়ে পড়ে তেহরানের জোমহুরি স্ক্যোয়ারের একটি আবাসনে। ঝলসে ওঠে আগুন। কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিস্ফোরণের জোরালো শব্দ শোনা যায় হাসান আবাদ স্ক্যোয়ার থেকে। কেঁপে ওঠে একটি সরকারি ভবন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। শহরের কেন্দ্রস্থল পাস্তুর স্ট্রিট সংলগ্ন এলাকা থেকেও ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গিয়েছে।

একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে পর পর তিনটি মিসাইল হামলায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পরেই ইজ়রায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজ়রায়েল কার্টজ বলেন, ‘‘ইরান আমাদের উপরে হামলা চালাতে পারে, এই আশঙ্কা থেকে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেনা মিসাইল হামলা চালিয়েছে।’’ হামলার পরেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে তেহরান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তাঁর দপ্তরের খুব কাছেই বিস্ফোরণ হয়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
তার পরেই নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় খামেনেইকে। আমেরিকার মদতেই ইজ়রায়েল এই হামলা চালিয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। ঘটনার পরেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইরানে। ইরানের জলসীমায় ঘাঁটি গেড়েছে আমেরিকার রণতরী। চলছে মহড়া। যে কোনও সময়ে যুদ্ধের দামামা বেজে যেতে পারে বলে অনুমান আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই আবহে জেনেভায় আমেরিকার সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসেছিল ইইরান। কিন্তু তিন দফা বৈঠকের পরেও কোনও রফাসূত্র মেলেনি। তবে আলোচনা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলেই মনে করছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি সন্তুষ্ট নন।










