চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ আজ লোকভবনে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলো। আরো ৩৫ জন পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তাপস রায়, মনোজ ওরাওঁ, অর্জুন সিং, গৌরীশঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, অরূপ কুমার দাস, স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী, শঙ্কর ঘোষ, দুধকুমার মণ্ডলেরা।

স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতি রাভা রায়, রাজেশ মাহাতো, ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন অশোক দিন্ডা, জুয়েল মুর্মু, হরেকৃষ্ণ বেরা, শান্তনু প্রামাণিক, উমেশ রায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, ভাস্কর ভট্টাচার্য, কলিতা মাজি, বিরাজ বিশ্বাস, আনন্দময় বর্মন, বিশাল লামা, দীপঙ্কর জানা। মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করলেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যপাল আরএন রবি। তবে মন্ত্রীরা কে কোন দফতর পাচ্ছেন, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। মন্ত্রীদের তালিকায় নাম নেই তিলোত্তমার মায়ের, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষদের।

যাঁরা প্রথমবারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রী। পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত প্রথমবারই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিধাননগর থেকে নির্বাচিত হন। খড়দহ থেকে নির্বাচিত কল্যাণ চক্রবর্তী পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন। দীর্ঘদিনের বিজেপির লড়াকু নেতা দুধকুমার মণ্ডলকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হল। বিজেপির যখন বাংলায় সেভাবে অস্তিত্বই ছিল না, ১৯৮৮ সালে বীরভূমে পঞ্চায়েত ভোটেও তিনি জয়ী হয়েছিলেন। কুলটি থেকে নির্বাচিত অজয় পোদ্দার ১৯৭৫ সাল থেকে RSSএর সম্পর্ক।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
গোপীবল্লভপুর থেকে মন্ত্রী হলেন রাজেশ মাহাতো, নয়াগ্রাম থেকে মন্ত্রী হয়েছেন অমিয় কিস্কু। প্রথম বার নির্বাচনে লড়ে জয়ী হয়ে কলিতা মাঝি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন। আউশগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। তাঁকে নিয়ে নির্বাচনের সময়ে একাধিক আলোচনাও হয়। শ্রীরামপুর থেকে ভাস্কর ভট্টাচার্য, বলাগড় থেকে সুমনা সরকাররা মন্ত্রিসভায় এলেন।










