রায়া দাসঃ কলকাতাঃ যারা প্রকৃত যোগ্য তাদেরই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়া হবে। এই টাকা কাউকে ফূর্তি করার জন্য দেওয়া হবে না। এতদিন যারা অসৎ উপায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিয়েছেন তাঁদের কাউকে ছাড় নয়। সুদ সমেত সব টাকা আদায় করা হবে। খড়গপুরের সভা থেকে কড়া বার্তা রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের।

এদিন দিলীপ ঘোষ , “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার…সবাই পেয়ে যাচ্ছে। ডাক্তারের বউ পেয়ে যাচ্ছে, মাস্টারের বউ পেয়ে যাচ্ছে। কেন দেবে তাদেরকে? পান খাওয়ার জন্য, বিউটি পার্লার যাওয়ার জন্য? সব বন্ধ হবে। তেরো পাতার ফর্ম এসেছে। কঠিন কিছু নয়। বাড়ির সবার তথ্য চাওয়া হয়েছে। বেশি লেখাপড়া নয়, ওটা দেখতে হবে, টিক মারতে হবে। কারণ যাকে আমরা দিচ্ছি, সে লোকটা কে, তার ইনকাম কী, সম্পত্তি কত, ব্যাঙ্কে কত টাকা পয়সা কত আছে, তার পাওয়ার কথা কি না। যার প্রয়োজন তাকে দেওয়া হবে। এটা মোচ্ছব,ফূর্তি করার জন্য নয়।”

তৃণমূলের আমলে যাঁরা অন্যায় ভাবে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পেয়েছেন, সেই টাকা সুদ সমেত আদায় করা হবে বলেও জানান দিলীপ। বলেন, “পুরুষরা কী করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পায়? সব ব্যাটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে জেলে ঢাকাচ্ছে দেখুন। ছবি এসেছে। কাউকে ছাড়া হবে না। আর এমন হলে, সেই টাকা, তার সুদ, ধরুন এক বছর পেয়েছে তো! সেই এক বছরের টাকা সুদ সমেত আদায় করা হবে। ছাড়া হবে না কাউকে।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
তৃণমূলের আমলে যাঁরা অন্যায় ভাবে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র টাকা পেয়েছেন, সেই টাকা সুদ সমেত আদায় করা হবে বলেও জানান দিলীপ। বলেন, “পুরুষরা কী করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পায়? সব ব্যাটাকে কোমরে দড়ি পরিয়ে জেলে ঢাকাচ্ছে দেখুন। ছবি এসেছে। কাউকে ছাড়া হবে না। আর এমন হলে, সেই টাকা, তার সুদ, ধরুন এক বছর পেয়েছে তো! সেই এক বছরের টাকা সুদ সমেত আদায় করা হবে। ছাড়া হবে না কাউকে।”










