"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

বছরের পর বছর জীর্ণ সাঁকো দিয়েই চলছে যাতায়াত, এবার কি বলছে নতুন সরকার?

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ হুগলীঃ হুগলীর বলাগড় ব্লকের জিরাট গ্রাম পঞ্চায়েতের চরখয়রামারি গ্রাম। ২০২৩ সালের বর্ষায় ওই গ্রামের গঙ্গা সংযোগকারী সেতুটি ভেঙে পড়ে। তার পরে কেটে গিয়েছে তিন বছর। কিন্তু আজও কংক্রিটের পাকা সেতু তৈরি হয়নি সেখানে। বর্তমানে পুরোনো বাঁশের জায়গায় নতুন বাঁশ লাগিয়ে কোনও মতে সেতু মেরামত করা হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্বল ওই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলছে যাতায়াত।

কংক্রিটের সেতু না থাকায় সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় স্থানীয় কৃষকদের। এই এলাকায় ফসল নিয়ে বাজারে যাওয়ার প্রধান রাস্তা বাঁশের এই সেতুই। কিন্তু বাঁশের সেতু দিয়ে মালবাহী গাড়ি যেতে না পারায় অনেকটা পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চাদেরও বেশ অসুবিধা হচ্ছে। এমনকী জরুরি পরিস্থিতিতেও গ্রামে ঢুকতে পারে না অ্যাম্বুল্যান্স। শুধু চরখয়রামারি নয়, নদিয়ার চাকদহ থেকেও বহু মানুষ জিরাটে আসেন। পঞ্চায়েত, হাসপাতাল, বিডিও অফিস থেকে রেলওয়ে স্টেশন— সবই সেতুর ওপারে অবস্থিত। যার জেরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নবান্নে প্রস্তাব পাঠালেও কাজ এগোয়নি। সেতু ভাঙার পর তৎকালীন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। নতুন সেতু তৈরির আশ্বাসও দিয়েছিলেন। কিন্তু কোথায় কী? অন্যদিকে, বলাগড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুমনা সরকার জানিয়েছেন, সেতুর জন্য ইতিমধ্যেই ৪৯ লক্ষ টাকা অনুমোদন হয়েছে। টেন্ডারের কাজও শেষ। বর্ষার জন্যই শুধু কাজ আটকে আছে। তবে এমন পরিস্থিতির জন্য তিনি আগের তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। মন্ত্রী সুমনা সরকারের আশ্বাসে ভরসা রাখতে পারছে না বিরোধীরা।


বলাগড় সিপিএমের ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক বিকাশ গোলদার জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারও টেন্ডারের কথা বলেছিল। নতুন সরকারের ১০০ দিনেও সেতু নির্মাণের কোনও সদিচ্ছা দেখতে পাচ্ছেন না তিনি। কাজ শুরু না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা প্রশাসনের কথায় বিশ্বাস করতে রাজি নন। বলাগড়ের বিডিও মহাশ্বেতা বিশ্বাস অবশ্য জানিয়েছেন, জেলা পরিষদ ও সেচ দপ্তরের আধিকারিকরা জায়গাটি ঘুরে দেখেছেন। বর্ষা কাটলে আগামী জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই কংক্রিটের সেতু তৈরির কাজ শুরু হবে। স্থানীয় বাসিন্দা বাপন বিশ্বাস ও টোটো চালক অজয় মণ্ডলের দাবি, আগের সরকারের কাছে অভিযোগ করেও কোনও লাভ হয়নি। গ্রামের মানুষ কোনও মতে নতুন বাঁশ দিয়ে সেতু মেরামত করেছেন।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031