পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ আজ সাত সকালে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার গঙ্গাসাগর উপকূল থানার অন্তর্গত শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ড থেকে গঙ্গাসাগর বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি এলাকায় বিজেপি কর্মীকে গুলি চালিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।। আহত বিজেপি নেতা ত্রিলোকেশ ঢালি। আগে মথুরাপুর সংগঠনিক জেলা কমিটির সেক্রেটারী ছিলেন। তবে বর্তমানে সাধারণ কর্মী হিসেবে রয়েছেন।

জানা গেছে, আচমকা বাইকে করে আসা দু’জন দুষ্কৃতী ত্রিলোকেশ ঢালিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত বাইক নিয়ে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। এরপর ত্রিলোকেশ ঢালিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত তাকে বাসিন্দারা উদ্ধার করে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পুলিশও খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে যায়। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বভাবতই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পুরোনো কোনো শত্রুতার জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। যদিও বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলছে। বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এই প্রসঙ্গে জানান, “জানি না ওই কর্মীর প্রাণরক্ষা হবে কিনা। বাংলায় হিংসার এই রাজনীতি কারা নিয়ে এল? আমরা এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করব। আমরা কমিশনকে বলব ওই থানার ওসিকে বরখাস্ত করে দেওয়া হোক। একবার কড়া শাস্তি না দিলে এদের টনক নড়বে না।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
এদিকে, ইতিমধ্যেই বিজেপি কর্মীরা এই ঘটনার প্রতিবাদে এলাকায় অবরোধ শুরু করে দিয়েছেন। ত্রিলোকেশ ঢালির মেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “বাবার তো একেবারে বুকে গুলি লেগেছে। হতে পারে শাসকদলেরই কাজ। আমরা যেহেতু বিজেপি করি, আমি নিজেও পঞ্চায়েত মেম্বার সে কারণেই এই আক্রমণ হয়ে থাকতে পারে।” অন্যদিকে, তৃণমূল মুখপাত্র তন্ময় ঘোষ বলছেন, “ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। সব কিছু যে তৃণমূল কংগ্রেস করেছে এই কথাটা ভোট আসছে বলেই চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”










