"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

অবশেষে গ্রেপ্তার মিনার মণ্ডল, উদ্ধার প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বীরভূমঃ বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী নাজিবুদ্দিন ওরফে টুলু মণ্ডলের আত্মীয় মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে সাড়ে ২৮ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে মিলেছে প্রায় ১৫ কেজি সোনা। তদন্তকারীদের একাংশের অনুমান, নগদ আর সোনা মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মহম্মদবাজারের ডেউচায় মিনারের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আরও জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। বিশাল বাহিনী ঘিরে ফেলেছে বাড়ি সংলগ্ন গোটা এলাকা। রাতেও পুলিশও বাহিনী মোতায়েন করেছে। এলাকা নিরাপত্তার চাদরে মুড়েই মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা বের করে আনাা হয়। পরে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাইকোয়াদ নীলেশ শ্রীকান্ত বলেন, ‘বাড়িটি যার ছিল, সেই মিনার মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যে হেতু এখান থেকে অনেক জিনিস পাওয়া গিয়েছে, তাই এই মুহূর্তে বাড়িটি কে সিল করা হয়েছে।’

যদিও মিনারের স্ত্রীর দাবি, ‘টুলু মণ্ডল এক বছর আগে এই টাকা রেখে গিয়েছিলেন। আমাদের বলা হয়েছিল, কাগজ রয়েছে। আলমারির চাবিও ছিল টুলু মণ্ডলের কাছেই। আমাদের সংসার চলে পেনশনের টাকায়। আমরা এ সবের কিছুই জানতাম না।’ রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এরা কয়লা খাদানের পরিচিত নাম। তৃণমূল জমানায় ফুলেফেঁপে উঠেছিল। পুলিশও তো সাহায্য করত। নবান্নে টাকা যেত। এখন সব লিঙ্ক কেটে গিয়েছে। নতুন তথ্য সামনে আসছে। এখন পুলিশই গ্রেপ্তার করছে।’


উদ্ধার হওয়া টাকা ও সোনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বুধবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লিখেছিলেন, ‘সূত্র মারফত খবর পেয়ে বীরভূম পুলিশ বালি মাফিয়া টুলু মণ্ডলের গোপন ডেরায় অভিযান চালিয়ে ১৫ কেজি সোনা ও সাড়ে পাঁচ কোটি (রাতে সেই পরিমাণ দাঁড়ায় সাড়ে ২৮.৫ কোটি) টাকা উদ্ধার করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জ়িরো টলারেন্সই মূল নীতি। দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ পুলিশের এই অভিযানের প্রশংসাও করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মঙ্গলবার গভীর রাত প্রায় তিনটে নাগাদ মহম্মদবাজারের ডেউচায় মিনারের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। পরে তাঁকে পুলিশের একটি দল তুলে মহম্মদবাজার থানায় নিয়ে যায়। অন্য একটি দল বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। থানায় মিনারকে জিজ্ঞাসাবাদে আলমারি ও অন্য জায়গায় টাকা রাখার কথা জানা যায়। এত বিশাল পরিমাণ টাকা গুণতে বুধবার সকালে নোট গোনার পাঁচটি যন্ত্র ও পাঁচটি বড় ট্রাঙ্ক আনা হয়। মিনারের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় বুধবার রাতে সিউড়িতে বীরভূমের পুলিশ সুপারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরেও রাতভর তল্লাশি চলে এবং তখন লোডশেডিংয়ের আশঙ্কায় বিকেলে মিনারের বাড়িতে জেনারেটরও নিয়ে যাওয়া হয়। তার আগে মিনারের ছেলেকে থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। মিনার ও তাঁর ছেলে বুধবার রাত পর্যন্ত মহম্মদবাজার থানাতেই ছিলেন।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031