"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

অভিষেককে হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা

Share

অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, রাস্তায় তাঁকে মারধরও করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সোনারপুরের সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখলেন, ‘শাসকই ঘাতক হয়ে উঠল। লজ্জা হওয়া উচিত বিজেপির।’ গোটা ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে জাতীয় স্তরে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শরিকেরাও। এক্স হ্যান্ডলে বিজেপির নিন্দায় সরব হয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

বিজেপির অবশ্য দাবি, সোনারপুরের ঘটনার সঙ্গে তাদের যোগ নেই। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি যুক্ত নয়। তৃণমূল দক্ষিণ ২৪ পরগনায় গত পাঁচ বছর ধরে যে অত্যাচার করেছে, তাতে বিজেপি চাইলে, এখন তৃণমূলের নেতারা বাড়ি থেকেই বেরোতে পারতেন না। বিজেপি সংযম দেখিয়েছে বলেই তৃণমূলের নেতারা এ ভাবে বেরোতে পারছেন।’

অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে সমাজমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছে তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছে, ‘নৃশংস আক্রমণের পরেও সঞ্জু কর্মকারের শোকাহত পরিবারকে পরিত্যাগ করতে চাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের সামনে আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুখ ফিরিয়ে নেননি। বরং, তিনি বিজেপি-সমর্থিত গুন্ডাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সহানুভূতির রাজনীতি এবং ঘৃণার রাজনীতির মধ্যে এটাই পার্থক্য।’ নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে লেখা হয়েছে, ‘আজকের ঘটনা আবারও আপনার রাজনীতির ধরনকে উন্মোচিত করেছে, যা ভীতি প্রদর্শন, হিংসা এবং প্রতিহিংসার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।’ 


কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে হামলার শিকার হয়েছেন, তার তীব্র নিন্দা জানাই। এক জন বিশিষ্ট বিরোধী নেতার জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার অভাব বিজেপির প্রতিহিংসা ও নিপীড়নের রাজনীতির কথাই স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে অবশ্যই সমস্ত বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং এই ধরনের হামলা প্রতিরোধে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কোনও ধরনের হিংসাকে ন্যায্য করে তুলতে পারে না।’

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব লেখেন, ‘বাংলার তৃণমূলের এক জন বিশিষ্ট নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার প্রমাণ করেছে যে, তারা বিদ্বেষপূর্ণ, নেতিবাচক ও হিংসাত্মক রাজনীতি করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। এমন একটি সংবেদনশীল পরিবেশে পুলিশের অনুপস্থিতি একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে। অত্যন্ত নিন্দনীয়!’ 


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930