মিনাক্ষী দাসঃ বাড়ি হোক বা অফিস প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে নিজের জন্য সময় বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে শরীরে যেমন ক্লান্তি বাড়ছে, তেমন মনের উপরেও। অত্যাধিক পরিশ্রমে শরীর ও মনের চাপ অনেক বেড়ে যায়। অতিরিক্ত উদ্বেগ মনকে আরো অবসন্ন করে তোলে। তার উপর অসুখ-বিসুখের ঝক্কি তো আছেই। আজ গ্যাস-অম্বলের সমস্যা তো কাল শারীরিক ব্যথা-বেদনা। আবার নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করতেও অনীহা। যদি শরীর এবং মনের ক্লান্তি দূর করতে হয়, তবে সহজ এক যোগাসন আছে। যা শুয়েই করা যাবে।

যোগাসনটির নাম মৎস্যক্রীড়াসন। যোগাসন প্রশিক্ষকদের কথায়, ‘ফ্ল্যাপিং ফিশ পোজ’। এই আসনটি নিয়মিত অভ্যাস করলে শরীরের বিশ্রাম হবে। মন প্রশান্ত হবে।
১) উপুড় হয়ে ম্যাটের উপর শুতে হবে। শরীর শিথিল রাখতে হবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here২) দুই হাতের কনুই ভাঁজ করে হাতের পাতা মাথার নীচে রাখতে হবে। মাথা আরামদায়ক ভাবেই থাকবে। অতিরিক্ত চাপ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৩) এবার বাম পা হাঁটু থেকে ভাঁজ করে বুকের কাছে এনে ডান পা সোজা রাখতে হবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
৪) বাম হাতের কনুই এবং হাঁটু যতটা সম্ভব কাছাকাছি আনার চেষ্টা করতে হবে।
৫) চোখ বন্ধ করে ধীরে ধীরে শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে হবে ও এই অবস্থায় কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here৬) এরপর দিক পরিবর্তন করে আসনটি আবার করতে হবে প্রয়োজন হলে মাথার নীচে এবং হাঁটুর নীচে বালিশ রাখা যেতে পারে।

উপকারীতাঃ
- যোগাসনটি অভ্যাস করলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমে যাবে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে।
- পায়ের স্নায়ুর সক্রিয়তা বাড়বে, পেশির আরাম হবে। সারা শরীরের বিশ্রাম হবে এবং মানসিক চাপ কমবে।
- নিয়মিত আসনটি অভ্যাসে অতিরিক্ত উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা দূর হবে। আর অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে এবং ঘুম ভালো হবে।
তবে হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হলে ঘাড়ে বা কাঁধে আঘাত থাকলে বা অস্ত্রোপচার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আসনটি করা যাবে না। আসনটি না করাই ভালো।










