"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫০০, উদ্ধার ৮৪ জন ভারতীয়

Share

ব্যুরো নিউজঃ নেপালঃ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ হড়পা বানের পর ক্রমেই ভয়াবহ হচ্ছে পরিস্থিতি। বুধবারের বিপর্যয়ের পরে নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের জেরে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। সরকারি ভাবে শুক্রবার সকাল ৮টা ২০ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬৯ জন, নিখোঁজ ৭৫০-এর বেশি। বেসরকারি ভাবে সংখ্যাটা প্রায় ১৫০০ বলে দাবি। সংবাদসংস্থার দাবি, নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজের সংখ্যা ১,৪০০-রও বেশি। তাঁদের মধ্যে বহু বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিকরাই রয়েছেন। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে এখনও প্রায় ২৯০ জন ভারতীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এদিন সকাল পর্যন্ত ৮৪ জন ভারতীয়কে উদ্ধারের খবর মিলেছে।

বুধবারের বিপর্যয়ের পরে শুক্রের সকালে এল উদ্ধারের খবর। সংবাদ সংস্থা PTI সূত্রে খবর, ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে ৬৩ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই প্রকল্পে কাজের জন্য নেপালে গিয়েছিলেন তাঁরা। রাসুয়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বহু ভারতীয় পর্যটক, তীর্থযাত্রী ও কর্মী আটকে পড়েছেন বলে খবর। নিখোঁজ ভারতীয়দের মধ্যে কৈলাস-মানসরোবর যাত্রায় যাওয়া তীর্থযাত্রী, বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা পর্যটকেরা রয়েছেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৮৪ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ত্রিশূলী-১ প্রকল্পের ৬৩ জন কর্মী এবং তামিলনাড়ুর ২১ জন রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে নেপাল সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, পর্যটন সংস্থা এবং প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে ভারতীয় দূতাবাস।

এছাড়াও প্রায় ২০০ জন ভারতীয় কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রী চিনের অধীনে থাকা তিব্বতে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্যও ভারতীয় কর্তৃপক্ষ চিনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। প্রথম বিপর্যয়ের ধাক্কা সামলানোর আগেই নতুন বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধস ও বিপুল পরিমাণ পলি-বর্জ্য আটকে যাওয়ায় ভোটকোশি নদীর উপর একটি জলাধারের মতো ‘ব্যারিয়ার লেক’ তৈরি হয়েছে। জলস্তর দ্রুত বাড়ছে। সেটি ভেঙে গেলে ফের ভয়াবহ হড়পা বান নেমে আসতে পারে। চিনের পক্ষ থেকেও সীমান্তের কাছে তৈরি হওয়া একটি জলাধার নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


চিনা কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ঘনমিটার জল ওই এলাকায় জমা হতে পারে এবং বাঁধ ভেঙে গেলে নীচের দিকে বড়সড় বন্যা হতে পারে। সম্ভাব্য সর্বোচ্চ জলপ্রবাহের সময় ১ সেপ্টেম্বরের আশপাশে হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধারকাজে নেমেছে। বহু জায়গায় রাস্তা ও সেতু ভেসে যাওয়ায় স্থলপথে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার এবং খাবার, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

উদ্ধারকারী দল ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নিখোঁজদের খোঁজ চালাচ্ছে। কোথাও কোথাও মৃতদেহ উদ্ধারে স্নিফার ডগও ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাসুয়া থেকে চার জনকে হেলিকপ্টারে করে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সময় যত গড়াচ্ছে, জীবিতদের উদ্ধারের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।এখনও বহু প্রত্যন্ত এলাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে রাস্তা, সেতু এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফলে উদ্ধারকারী দলকে দুর্গম পাহাড়ি ভূখণ্ড পেরিয়ে এগোতে হচ্ছে।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031