"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

এবার চাকরী গেলেই ছাড়তে হতে পারে দেশ, দুশ্চিন্তায় H-1B কর্মীরা

Share

ব্যুরো নিউজঃ আমেরিকাঃ চাকরি গেলেই আর ৬০ দিনের সময় নয়। আমেরিকায় কর্মরত H-1B-সহ বেশ কয়েকটি ক্যাটেগরির ভারতীয়-সহ বিদেশি কর্মীদের জন্য দুশ্চিন্তার খবর। চাকরি চলে গেলে নতুন কর্মসংস্থান খোঁজার জন্য যে ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ এত দিন পাওয়া যেত, তা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে কোনও H-1B কর্মীর চাকরি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমেরিকায় তাঁর বৈধভাবে থাকার সুযোগ কার্যত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে নতুন চাকরি খোঁজার জন্য হাতে ৬০ দিন সময় পাওয়ার যে নিরাপত্তা এত দিন ছিল, তা আর থাকবে না। তবে এখনও নিয়মটি চূড়ান্ত হয়নি।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, H-1B ভিসায় থাকা কোনও কর্মীর চাকরি চলে গেলে বা তিনি চাকরি ছেড়ে দিলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের একটি গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যায়। এই সময়ের মধ্যে তিনি নতুন চাকরি খুঁজতে পারেন, নতুন H-1B আবেদন করতে পারেন অথবা পরিস্থিতি অনুযায়ী ভিসার স্ট্যাটাস বদলের আবেদন করতে পারেন। একই সঙ্গে বাড়ি ভাড়া, সন্তানদের স্কুল, পরিবারের জিনিসপত্র গুছিয়ে নেওয়া বা প্রয়োজনে আমেরিকা ছাড়ার প্রস্তুতিও নেওয়া যায়। কিন্তু নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে সেই সুযোগ অনেকটাই কমে যাবে। চাকরির সঙ্গে যুক্ত ভিসার বৈধতা শেষ হলে অন্য কোনও বৈধ স্ট্যাটাস না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে সঙ্গে সঙ্গেই আমেরিকা ছাড়তে হবে।

H-1B কর্মীদের একটি বড় অংশই ভারতীয়। বিশেষ করে আমেরিকার প্রযুক্তি ও IT পরিষেবা ক্ষেত্রে ভারতীয় পেশাদারদের উপস্থিতি অত্যন্ত বেশি। TCS, Infosys, HCLTech, LTIMindtree-এর মতো ভারতীয় IT সংস্থার পাশাপাশি Deloitte, PwC এবং EY-এর মতো কনসাল্টটেন্সি সংস্থাও H-1B কর্মী নিয়োগ করে। ফলে কোনও ভারতীয় কর্মী ছাঁটাই হলে নতুন চাকরি খোঁজার সময়সীমা কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি তাঁদের উপর পড়তে পারে। আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয়দের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বহু পেশাদার সেখানে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।


চাকরি হারানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি আমেরিকা ছাড়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা হলে বাড়ি ছাড়া, সন্তানদের স্কুল, স্বাস্থ্যবিমা, গাড়ি, বাড়িভাড়া এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস— সব কিছু নিয়েই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি শুধু H-1B কর্মীদের জন্য নয়। E-1, E-2, L-1, O-1, TN, H-1B1 এবং E-3-এর মতো কয়েকটি অস্থায়ী ওয়ার্ক ভিসা-ও এর আওতায় আসতে পারে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত L-1 ভিসাধারী ভারতীয় কর্মী বা বিশেষ দক্ষতার ভিত্তিতে O-1 ভিসায় থাকা পেশাদারদেরও চাকরি হারানোর পর একই ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930