নিউজ ডেস্কঃ তিব্বতঃ আচমকা জোরালো কম্পন তিব্বতে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫। ঘটনার পরে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। এই কম্পনের জেরে কোনও নয়া বিপর্যয় ধেয়ে আসবে কিনা সেই নিয়ে আশঙ্কিত বাসিন্দারা। সতর্কতা নেপাল তিব্বত সীমান্তেও। যদিও এখনও পর্যন্ত নতুন করে কোনও প্লাবনের সতর্কতা জারি করা হয়নি।

জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্স (GFZ)-এর দেওয়া তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পের পরে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS) জানিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের যোশীমঠের উত্তর-পূর্বে ১২৮ কিমি দূরে তিব্বতের সীমানার মধ্যে ছিল ভূমিকম্পের এপিসেন্টার। ভারতীয় সময় দুপুর ১টা ৪৬ মিনিট নাগাদ কেঁপে ওঠে তিব্বতের ওই এলাকার মাটি। NCS-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১৪ কিলোমিটার। তবে ভারতে এখনও এই ভূমিকম্পের কোনও প্রভাবের খবর মেলেনি।

নতুন করে তিব্বতে ভূমিকম্প হওয়ায় দুর্গত পাহাড়ি অঞ্চলগুলি নিয়ে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। ধস ও বন্যায় ইতিমধ্যেই দুর্বল হয়ে পড়া পাহাড়ি ভূখণ্ডে নতুন কম্পনের প্রভাব কতটা পড়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলি পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। নতুন করে কোনও ধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি বা পরবর্তী কম্পনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও পর্যবেক্ষণ চলছে। অন্যদিকে, নেপালে বিপর্যয়ের ঘটনায় এখনও অব্যাহত তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ১২৫২ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। এখনও নিখোঁজ প্রায় চার হাজারেরও বেশি মানুষ। সীমান্তের ওপারে, চিনের দিকে এই ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। সীমান্তের ওপারে, চিনের দিকে এই ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪১ জন নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









