পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার বারুইপুরে নির্যাতিতার বাড়িতে ঋতব্রত শিবির। প্রায় একই সঙ্গে নির্যাতিতার বাড়িতে পৌঁছন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষ। পরপর গাড়িতে ছিলেন তাঁরা। গাড়ি এলাকায় পৌঁছতেই এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন সায়নী। স্থানীয় বাসিন্দারা সায়নীকে ঘিরে ধরে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন। ওঠে ‘গদ্দার’ স্লোগানও। ঋতব্রত ঢুকতেই ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগান। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কেন ২ দিন পর এলাকায় এলেন সাংসদ?

এক বিক্ষোভকারী বলেন, “উনি খোঁজ নিয়েছেন মানে ফোন নিয়েছেন। কিন্তু উনি তো আমাদের বাড়ির পাশের সাংসদ। উনি এখানে এসে দেখা করতে পারলেন না! ২ দিন পর এলেন। তার আগে কতজন তো কত দূর থেকে এসেছেন। উনি যে এত কাছাকাছি থাকেন, তার কী মানে!” দু’দিন পর আসায় এদিন সায়নীকে নির্যাতিতার বাড়িতেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। বাড়ির বাইরে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তারপর অবশ্য তিনি নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সায়নী শুভেন্দু-সরকারের পুুলিশের প্রশংসাও করে দাবী করেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

তাঁর কথায়, “এই ঘটনায় সামনে চারজন রয়েছে বলে যে চার জনই রয়েছে, তেমনটা নাও হতে পারে। এর পিছনে বৃহত্তর নেক্সাসও থাকতে পারে। এর পিছনে র্যাকেট রয়েছে। এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু পুলিশ আগের সরকারের ক্ষেত্রে অনেকটা রিল্যাকট্যান্স ছিল। এখানে দোষীরা গ্রেফতার হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আবেদন করব, উনি যথেষ্ট সচেতন।” একদিকে সায়নীকে দেখে যখন উঠল গদ্দার স্লোগান, তখনই প্রায় একই সময়ে ঋতব্রতকে দেখে ওঠে চোর চোর স্লোগান। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করে গাড়িতে ওঠার সময়েই বৃষ্টিভেজা দুপুরে এলাকাবাসীদের ভিড়ের মাঝে থেকে ওঠে চোর চোর স্লোগান
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









