অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ দ্বিতীয় দফার ভোটের পর থেকে স্ট্রংরুমকে ঘিরে যথেষ্ট উত্তেজনা রাজনৈতিক মহলে। এবার গতকাল রাতেরবেলা বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। সূত্রের খবর, প্রথমে দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের বচসাকে কেন্দ্র করে স্ট্রংরুমের সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। শ্লোগান-পাল্টা শ্লোগান চলতে থাকে। কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি একেবারে হাতাহাতিতে গড়ায়।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশও খবর পেয়ে ছুটে আসে। পুলিশের তরফে মাইকিং করে গোটা জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। বিজেপির অভিযোগ, “তৃণমূল কর্মীরা তাদের ক্যাম্পে দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। যার জেরে বচসা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছায়।” অন্যদিকে, তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়ানোর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী বিরুদ্ধেও আঙুল তুলছে। তাদের দাবী, “কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে।”

উল্লেখ্য, স্ট্রংরুমে নিরাপত্তা বাড়ানোর সাথে সাথে গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়া নজরদারী চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসন পূর্ব মেদিনীপুরে চার গণনা কেন্দ্র নো ফ্রাইং জোন ঘোষণা করেছে। সেখানে বাজি ফাটানো যাবে না। আর কোনো বিজয় মিছিলও করা যাবে না। গণনাকেন্দ্রগুলির কাছে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। জেলা জুড়ে পুলিশের মাইকিং চলছে।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
অন্যদিকে স্ট্রংরুম, গণনা নিয়ে যাতে কোনো বিতর্ক তৈরী না হয় সেকারণেই গতকাল মালদার জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করলেন। প্রার্থীদের স্ট্রং রুম সহ গণনা কেন্দ্র ঘুরিয়ে দেখালেন। সেখানে কোনো দলের পক্ষ থেকেই তেমন কোনো অভিযোগ করা হয়নি। মালদা কলেজে এবং মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনা কেন্দ্র করা হয়েছে। এই দুই কেন্দ্রেই আগামীকাল জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা হবে।











