অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ সম্ভবত ১৬ ই মার্চ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতে পারে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিবেচনাধীন ভোটারদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের আগেই ভোটের দিন ঘোষণা করবেন। বাংলার সঙ্গেই আসাম, কেরল, পদুচেরী ও তামিলনাড়ুর ভোটের দিন ঘোষণা হবে। এক থেকে তিন দফায় হতে পারে বলে একটা সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। এপ্রিলেই ভোটের ফল ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের প্রায় সব বিরোধী দলগুলিও সিইসির সাথে বৈঠকে জানিয়েছে, তারা এক বা দু’দফাতেই ভোট চায়। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় প্রথম দফার ভোট হতে পারে। কিন্তু ষাট লক্ষ বিচারাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি কবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে?

প্রথম থেকেই জল্পনা চলছিল, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ভোট ঘোষণা হতে পারে। এবার জানা যাচ্ছে, ১৬ মার্চ বাংলায় ভোট ঘোষণা হতে পারে। ইতিমধ্যেই CEC জ্ঞানের কুমারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারের ফুল বেঞ্চ বাংলায় এসে গোটা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দিয়েছে। সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্তা, জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সকলের সঙ্গে বৈঠক করে জল মেপে গিয়েছেন। ছাব্বিশের নির্বাচন রক্তপাতহীন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সেক্ষেত্রে, বাম-বিজেপি CECর কাছে জানিয়ে এসেছে, যত কম দফায় ভোট হবে, ততই অশান্তির প্রবণতা কমবে।

সেক্ষেত্রে সূত্রের খবর, এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়েই প্রথম দফার ভোট হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির গেঁরোয় যাঁরা এখনও পর্যন্ত বিচারাধীন। প্রায় ৬০ লক্ষের নাম বিচারাধীন। তাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই মুহূর্তে প্রায় ৫০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার কাজ করছেন। গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এই বিষয়টি নিয়ে আগাম পিটিশনও দেন তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। তাতে বিরক্ত হয় সুপ্রিম কোর্ট। সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
তখনই সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, গত সোমবার পর্যন্ত প্রায় ১০ লক্ষ বিচারাধীনের নিষ্পত্তি হয়েছে। তবে এখনও অনেকেরই ভাগ্য ঝুলছে। সেক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে, বিচারাধীনদের শুনানি চলতে থাকবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে, দ্রুত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। CEC-ও বাংলায় এসে জানিয়ে গিয়েছেন, ভোটের আগেই বিচারাধীনদের ভাগ্য নির্ধারিত করা হবে।










