নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বীরভূমঃ গতকালের পর আজ বীরভূমের সিউড়ি জেলা আদালতের জজের কাছে ইমেলে বোমা-হামলার হুমকির খবরে চাঞ্চল্য ছড়ালো। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া আসানসোল আদালতেও বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়।

সূত্রের খবর, এদিন সিউড়ি জেলা আদালতের বিচারকের কাছে একটি ইমেল আসে। যেখানে বলা হয়, ‘আদালত চত্বরে বোমা রাখা আছে। দুপুরবেলা ১২টার মধ্যে কোর্ট চত্বর ফাঁকা করে দিতে হবে। যেকোনো সময় বিস্ফোরণ হতে পারে।’ এরপরই ডিএসপি কুনাল মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কোর্ট চত্বরে এসে তদন্ত শুরু করেন। বম্ব স্কোয়াডও এসে পৌঁছায়। আদালতের সব ঘরেই তল্লাশি চালানো হয়। কিন্তু এখনো বোমার হদিশ পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, গতকাল কলকাতা, হুগলী, দুর্গাপুর, আসানসোল সহ একাধিক নিম্ন আদালতে বোমা হামলার হুমকির অভিযোগ আসে। এর আগে গত বছর বেশ কয়েকবার কলকাতা, দিল্লি, বেঙ্গালুরু সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিমানবন্দর, দর্শনীয় স্থান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে টাইম বোমার সাহায্যে উড়িয়ে দেওয়া হবে বলে ভুয়ো ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এই ঘটনায় বিক্ষিপ্ত ভাবে কয়েকজন গ্রেপ্তারও হয়। তবে গতকাল রাজ্যের মুখ্যসচীব নন্দিনী চক্রবর্তী সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে জানান, “জেলা এবং অন্যান্য বিচারকেরা এসআইআরের কাজ করছেন। রাজ্য সরকার তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করবে।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
স্পেশাল টাস্ক ফোর্স কলকাতায় বোমাতঙ্কের ঘটনায় তদন্তভার নিয়েছে। সূত্রের দাবী, ‘হট মেল ডট কম’ ই-মেল আইডি ব্যবহার করে মঙ্গলবার এই বোমা-হামলার বার্তা পাঠানো হয়েছিল। পাশাপাশি তামিলনাড়ুর ডিজিপিকেও ইমেল পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। সেখানে পুলিশের বঞ্চনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়া হয়েছে। ইমেলে জানানো হয়, “দুপুর ১টা নাগাদ মাওবাদী ও পাকিস্তানের আই এস আইয়ের প্রাক্তন সদস্যরা নির্দিষ্ট স্থানে বিস্ফোরণ ঘটাবে।” সবক’টি ইমেল একই আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে পাঠানো হয়েছে বলেই পুলিশের সন্দেহ।

এদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলার ভোটার তালিকায় যারা অনুপ্রবেশকারীদের রাখতে চান, তাদের মদতেই এই কাণ্ড ঘটেছে। রাজ্য পুলিশ মুখ্যমন্ত্রীর কথায় চলে। তাই তাদেরকে দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত হবে না। কেন্দ্রীয় এজেন্সির মাধ্যমে এই ঘটনার তদন্ত করা প্রয়োজন।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









