"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

স্কুলের ফি কমানোর আবেদন জানালে মন্ত্রীর জবাব ‘মরে যান’

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মধ্যপ্রদেশঃ করোনা পরিস্থিতিতেও বিদ্যালয়গুলি নিয়ম খর্ব করে অতিরিক্ত ফি নিচ্ছে। এই সমস্যার সমাধান চেয়ে অভিভাবকরা মধ্যপ্রদেশের স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু অভিভাবকরা সেখানে দিয়ে একেবারে হতভম্ভ। অভিভাবকদের উত্তরে ইন্দর সিং পরমারের জানালেন, “মরে যান”।

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, করোনা আবহের জেরে বিদ্যালয়গুলি শুধু টিউশন ফি নিতে পারবে। এছাড়া অতিরিক্ত কোনো টাকা নিতে পারবে না। তবে অভিভাবকের অভিযোগ, “অধিকাংশ বিদ্যালয় এই নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে”। এই অভিযোগ নিয়েই মধ্যপ্রদেশ পালক মহাসংঘের ব্যানারে ৯০ থেকে ১০০ জন স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমারের সঙ্গে দেখা করতে যান।


অভিভাবকেরা স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমারকে আর্থিক সমস্যার কথা জানিয়ে গোটা বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও স্কুল ফি কমানোর আবেদন করেন। অভিভাবকরা জানান, “যদি স্কুল শিক্ষা দপ্তর তাদের অভিযোগ না শোনে তবে তারা কার কাছে যাবেন?” এই কথা বলতেই স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমার রাগে ক্ষুব্ধ হয়ে বলেছেন, “মরে যান। আপনাদের যা ইচ্ছে তাই করুন”।


স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমারের কাছ থেকে এই ধরণের জবাব পেয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা সহ বিরোধী দল কংগ্রেসও মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৈহানের কাছে অপসারণের দাবী জানিয়েছেন। রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র নরেন্দ্র সালুজা জানিয়ে দিয়েছেন, “উনি একজন নির্লজ্জ ব্যক্তি। অভিভাবকদের সংগঠন তাঁর কাছে সমস্যার সমাধানের জন্য গিয়েছিল। উনি দায়িত্ব-জ্ঞানহীনের মতো আচরণ করেছেন। ওনাকে দ্রুত পদ থেকে সরানো উচিত”।


অন্যদিকে অভিভাবকরা প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী ইন্দর সিং পরমার যদি নিজেই পদত্যাগ না করেন তাহলে মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৈহান যেন অপসারণ করেন এই দাবীতে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন।

DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031