নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বীরভূমের ডেউচা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের বাড়িতে পুলিশের অভিযান। আনা হলো নোট গোনার পাঁচটি মেশিন ও জোড়া ট্রাঙ্ক। মঙ্গলবার গভীর রাতে টুলুর আত্মীয় মিনার মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় মহম্মদবাজার থানার পুলিশ। মিনারও পাথর ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, কোটি কোটি টাকা সহ একগুচ্ছ সোনার বার উদ্ধার হলো। বুধবার সকালেও চলছে অভিযান। ঘটনাস্থলে আনা হয়েছে অন্তত পাঁচটি টাকা গোনার মেশিন এবং বেশ কয়েকটি বড় ট্রাঙ্ক। গভীর রাত থেকেই বাড়ি ঘিরে চলছে তল্লাশি। এখনো অবধি ৫.৫ কোটি টাকা ও ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার হয়েছে।

২০২১-২২ সাল নাগাদ যখন গোরু পাচার মামলার তদন্তে ইডি তৎপর হতেই উঠে আসে পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের নাম। গোরু পাচার মামলায় ED তলব করেছিল টুলুকে। অভিযোগ উঠেছিল, অনুব্রত মণ্ডলের সেই সময়ের ছায়াসঙ্গী সায়গল হোসেনের খুবই কাছের লোক টুলু। বীরভূমে টুলুর সম্পত্তির রমরমা তো আছেই। কলকাতাতেও তাঁর ফ্ল্যাট আছে বলে জানা যায়। গোরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত সায়গলকে জেরা করেই টুলু মণ্ডলের নাম জানতে পেরেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এ বার সেই টুলুর আত্মীয়র বাড়িতে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ।

এদিকে, বছর কয়েক আগে সরকারি বাসের চালক ছিলেন মিনার। পরে নিজেই সেই কাজ থেকে সরে দাঁড়ান অর্থাৎ স্বেচ্ছাবসর নেন বলে খবর। মহম্মদবাজারের ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বোনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। মিনার নিজেও পাথরের ব্যবসা করতেন। একই সঙ্গে টুলুর ব্যবসাও দেখভাল করতেন। সেই মিনারের বাড়িতে মঙ্গলবার গভীর রাতে আচমকাই বিশাল পুলিশ বাহিনী হানা দেয়। শুরু হয় তল্লাশি। বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। উদ্ধার হওয়ার টাকার পরিমাণ এতই বেশি যে, তা গোনার জন্য টাকা গোনার একাধিক মেশিন আনাতে হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি রয়েছেন পদস্থ আধিকারিকরা।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









