"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

বঙ্গে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, তবে প্রাচীন জনজাতি বিলের আওতার বাইরে থাকবে

Share

চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ সোমবার বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ করা হতে পারে বলে জল্পনা বেড়েছিল। তবে এদিন একাধিক বিল পেশ হলেও ইউসিসি বিল পেশ করেনি শাসকদল। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় জানালেন, বিলটি নিয়ে সুপারিশের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবেই। এই বিলের আওতার বাইরে কারা থাকবেন, তাও এদিন জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। 

এদিন অধিবেশনের শেষে শুভেন্দু অধিকারী জানান, “আমরা এই বিল আনব। আমরা সংকল্পপত্রে এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সবসময় বলেছেন, এক দেশ, এক প্রধান, এক বিধান। আমরা পশ্চিমবঙ্গেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল আনব। আগামী ২ জুলাই মন্ত্রিসভায় এই বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য আনব। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটের অভিন্ন দেওয়ানি বিধিকে ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল আনা হবে। এই রাজ্যে একটা আইন চলবে। ধর্মের ভিত্তিতে দুটো বিল চলবে না।” 

এরপরই বলেন, এক্ষেত্রে মূলবাসী, আদিবাসী এবং কুড়মি-সহ আরও যাঁরা আমাদের প্রাচীন জনজাতি, তাঁরা এই প্রস্তাবিত বিলের আওতার বাইরে থাকবে। আমি উত্তরাখণ্ড, গুজরাটকে অনুসরণ করে একটি কমিটি গঠন প্রস্তাব করেছি। সেই কমিটির চেয়ারপার্সন হবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনাপ্রকাশ দেশাই। এর সঙ্গে সদস্য হিসেবে থাকবেন একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার, একজন আইনি বিশেষজ্ঞ, একজন শিক্ষাবিদ, একজন সমাজকর্মী এবং একজন অতিরিক্তি সচিব থাকবেন। বিয়ে, বিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক-সহ মোট ৯টি বিষয় এই কমিটি খতিয়ে দেখবে। এই কমিটিকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। অগস্টে এই কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করে আমরা ইউসিসি বিল আনব। এই বিল পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর হবে। আপনাদের কিছু বলার থাকবে, কমিটির কাছে বক্তব্য রাখবেন। তবে শুনে রাখুন, আমরা এই ইউসিসি পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করতে বদ্ধপরিকর।”


অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা চাই, ইউসিসি কার্যকর হোক। দ্রুত কার্যকর হোক। এবং সর্বসম্মতিক্রমে কার্যকর হোক। কারণ, ইউসিসি-র দাবি শুধু বিজেপির নয়। সমাজের সর্বস্তরের মানুষ, এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বহু মানুষ ইউসিসি-র জন্য লড়াই করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে সমাজের একজন স্কুলশিক্ষক পর্যন্ত ইউসিসি-র পক্ষে রয়েছেন। যেটা মানুষ চাইছেন, জনমনে যে দাবি প্রতিষ্ঠিত, সেটাকে মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের।”


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031