"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

বন্ধ হলো শহরের ৪০টি নামী রেঁস্তোরার ঝাঁপ

Share

অন্বেষা দেঃ কলকাতাঃ কলকাতা মানেই খাদ্যপ্রেমী বাঙালীর ভুরিভোজের অন্যতম ঠিকানা। কারোর পছন্দ আর্সালানের বিরিয়ানি তো কারোর করিমসের কাবাব, আবার কারোর পার্কস্ট্রিটের কাটি রোল থেকে কলকাতার মিষ্টি, শহরের যেদিকেই চোখ যাবে, খাবারের দোকান ঠিক চোখে পড়বে। ভিন রাজ্য বা অন্য দেশ থেকেও যাঁরা সিটি অফ জয়ে আসেন, তাঁরাও চেখে দেখেন এই সব। কিন্তু এই নামজাদা সব রেস্তরাঁর চোখ ধাঁধানো আলো, খাবারের পাগল করা গন্ধ পেরিয়ে অন্দরে দেখতেই চক্ষু চড়কগাছ খাদ্য সুরক্ষা দফতরের কর্মীদের।

এদিকে, পুজো আর বাকি মাত্র এক মাস। মোটামুটি বাঙালীদের ষষ্ঠী থেকে দশমীর প্ল্যান রেডি। পকেটের টাকা যাবে যাক, বছরে তো একবারই পুজো আসে। কিন্তু মোটা টাকা দিয়ে মানুষ আসলে দিনের পর দিন কি খাচ্ছে? তা পুজোর আগেই সামনে আনতে অভিযান চলে। গত এক সপ্তাহ ধরে খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা অভিযান চালিয়ে কোথাও সন্তোষজনক তেমন কিছুই পেলেন না। গোটা শহরের বেশিরভাগ দোকানেই অব্যবস্থার ছবি। সঙ্গে পচা খাবার, ছত্রাকে ভরা সামগ্রী ও পচা মাংসের ছড়াছড়ি। যার কারণে এমন চল্লিশটি রেস্তোরাঁ ও দোকানে আপাতত তালা ঝুলিয়ে দিল, স্থগিত হলো লাইসেন্স।

এই তালিকায় রয়েছে ধর্মতলার নিজাম, রিপন স্ট্রিটের করিমস, আর্সালানস বাইপাসের নামকরা শিমলা বিরিয়ানি, যাদবপুরের গোল্ডেন গেট, গড়িয়ার কিছু রেস্তোরাঁ, বারাসাতের একটি মলের ফুড প্লাজা, পার্কস্ট্রিটের তুং ফং, মোক্যাম্বো, ট্যাংরা বা চায়না টাউনের বিখ্যাত বিগ বস রেস্তোরাঁ, ডেকার্স লেনের কিছু দোকান, সব জায়গাতেই পচা, ছত্রাকে ভরা খাবার, বিষাক্ত কেমিক্যাল তো খারাপ মাংস পাওয়া যায়। পাশাপাশি বেশ কিছু মিষ্টির দোকান ও কলকাতার বিখ্যাত পনিরপট্টিও রয়েছে। এসব জায়গা থেকেও খারাপ ও নিম্নমানের সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই কয়েকদিনে প্রায় দেড় টন খাবারও নষ্ট করা হয়েছে।


আধিকারিকদের মূল অভিযোগ, “অভিযান চালাতে গিয়ে মূল যেটা চোখে পড়েছে তা হল রান্না যেখানে হচ্ছে সেখানকার পরিবেশ একেবারে অস্বাস্থ্যকর। খাবার স্টোর করার জায়গাও খুব খারাপ। পরিচ্ছন্নতার লেশ মাত্র নেই। বেশীরভাগ জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। আর যে তেলে মাত্র তিনবার রান্না করার কথা তাতে রান্না করা হয়েছে কয়েকশো বার। ফলে সেই খাবার বিষে পরিণত হচ্ছে। মানুষ খেয়ে দিন দিন অসুস্থ হচ্ছেন।” সূত্রের খবর, যাদের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাদের ট্রেনিং দেওয়া হবে, তারপর আবার খাবার বিক্রি চালু করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে। তবে, এ ব্যাপারে স্পষ্ট এখনও কিছু জানা যায়নি। পুরসভার তরফেও কিছু জানানো হয়নি।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
October 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031