অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইউক্রেন ফেরত পড়ুয়াদের সাথে কথা বলে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন।

- Sponsored -
এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, “রাজ্য সরকার ইউক্রেন ফেরত পড়ুয়াদের কম খরচে পড়াশোনার ব্যবস্থা করবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদেরও রাজ্যে পড়ার ব্যবস্থা করা হবে।”
“প্রথম বর্ষের ডাক্তারী পড়ুয়ারা যারা প্রথম থেকে পড়াশোনা শুরু করতে চায় তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের জন্যও বেসরকারী মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য দ্রুত সেমিস্টার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
“রাজ্য সরকার বেসরকারী মেডিকেল কলেজে এক তৃতীয়াংশ জায়গা পায়। তাই দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য বেসরকারী মেডিকেল কলেজে পড়াশোনার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ বর্ষের পড়ুয়ারা যাতে এখানে প্র্যাকটিস করতে পারেন, এর জন্য মেডিকেল কাউন্সিলকে চিঠি লেখা হবে।”
“যারা অফলাইনে পড়াশোনা করতে চান তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে। আর যারা পড়াশোনা করতে চান তাদের জন্য অনলাইনেও ব্যবস্থা থাকবে।
“ডাক্তারী পড়ুয়াদেরও সরকারী মেডিকেল কলেজে ইন্টার্নশিপের সুযোগ মিলবে। নিয়মের ভিত্তিতে একটা কাউন্সেলিং করানো হবে।ইন্টার্নদের জন্য স্টাইপেন্ডের ব্যবস্থাও থাকবে।”
“ইউক্রেন থেকে আসা পড়ুয়াদের পড়াশোনার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যাওয়ায় রাজ্য সরকার ইউক্রেন ফেরত পড়ুয়াদের যাবতীয় পড়াশোনার খরচ স্কলারশিপ আকারে বহন করবে। অন্যদিকে ইউক্রেন ফেরত পড়ুয়াদের জন্য স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাতে রাজ্য সরকারই গ্যারান্টার হবে।”
“স্বাস্থ্য সচীব নারায়ণ স্বরূপ নিগম ও স্বাস্থ্য আধিকারিক পিভি সেলিমকে কমিশনে চিঠি পৌঁছানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদি কাউন্সিল সব বিষয়ে আপত্তি করে তাহলে সব ডাক্তারি পরিবারকে নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে ন্যাশনাল মেডিকেল কাউন্সিলের সাথে দেখা করব।”