"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

সিএএ সংক্রান্ত আইন পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করলেন শুভেন্দু অধিকারী

Share

চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ অনুুপ্রবেশকারীদের রাজ্যছাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। পশ্চিমবঙ্গে নতুন আইন কার্যকর করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিকেলে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানিয়েছেন, যাঁরা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) অন্তর্ভুক্ত নন, তাঁদের গ্রেফতার করে সরাসরি তুলে দেওয়া হবে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে। শুভেন্দুর বক্তব্য, গত বছর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই মর্মে একটি নির্দেশিকা পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আগের সরকার তা কার্যকর করেনি। রাজ্যে প্রথম বার ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার ওই আইন কার্যকর করল।

শুভেন্দু বুধবার সকালে উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। বিএসএফ-এর আধিকারিকেরাও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর হাতে রাজ্যের ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ জমি তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু। এর পরেই অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএসএফ-এর সঙ্গে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে আমরা রাজ্য এবং দেশকে সুরক্ষিত করব। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ১৪ মে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। আমাদের আগের সরকার এক দিকে শরণার্থীদের সিএএ (সুরক্ষা) দেওয়ার বিরোধিতা করেছে। অন্য দিকে, এই গুরুত্বপূর্ণ আইনকে কাজে লাগায়নি। আজ থেকে এই আইন আমরা কার্যকর করলাম।’’

শুভেন্দুর ব্যাখ্যা, ‘‘সিএএ আইন অনুযায়ী, সাতটি সম্প্রদায়ের মানুষ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের আওতাভুক্ত। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা এ রাজ্যে এসেছেন, তাঁদের পুলিশ কোনও হেনস্থা করতে পারবে না বা আটক করতে পারবে না। কিন্তু যাঁরা সিএএ-র অন্তর্ভুক্ত নন, তাঁরা সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। তাঁদের সরাসরি রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করবে এবং বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের দেশ থেকে বার করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ, ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট। সীমান্ত সংলগ্ন সমস্ত থানায় দেশের স্বার্থে, রাজ্যের স্বার্থে আইন কার্যকর করলাম।’’ রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং মুখ্যসচিবকে এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।


গত বছর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি গেজ়েট বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছিল, ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে বা ধর্মীয় নিপীড়নের ভয়ে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ভারতে পালিয়ে আসা, হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টানদের শরণার্থীর মর্যাদা দেওয়া হবে। ভারত সরকার তাঁদের তাড়িয়ে দেবে না। ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল কার্যকর হওয়া অভিবাসন এবং বিদেশি আইনের ৩৩ ধারা অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সংসদের বাজেট অধিবেশনে এই আইন পাশ হয়েছিল। প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও সংখ্যার জোরে আইন পাশ করিয়ে নেয় কেন্দ্র।

আইনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। কোন কোন বিদেশি ভারতে ঢুকবেন, কীভাবে ঢুকবেন, কী নথি থাকলে তবেই ঢুকতে পারবেন, সে সব বিষয়ে ভারত সরকারের হাতে কী কী ক্ষমতা থাকবে, এই আইনে তা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বলা রয়েছে। এই আইনেই বলা আছে, বৈধ পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়া কেউই ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন না। আবার এই আইনেরই ৩৩ ধারায় সরকারের হাতে প্রভূত ক্ষমতা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি বিচার করে গেজ়েট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই আইনের বিভিন্ন ধারায় যা বলা আছে, তাতে কেন্দ্রীয় সরকার দরকারে অদলবদল করতে পারবে। পরিস্থিতি সাপেক্ষে কোনটা ‘ব্যতিক্রম’, তা-ও কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক করতে পারবে। সেই আইন এ বার পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল বিজেপি সরকার।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
August 2026
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31