নিজস্ব সংবাদদাতাঃ আলিপুরদুয়ারঃ বিশ্ব গন্ডার দিবসে হুডখোলা গাড়িতে জলদাপাড়ায় সাফারি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাচ্চা সহ গন্ডার দর্শন হয়েছে বলে জানালেনও সেকথা। পাশাপাশি, দুই হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন শুভেন্দু ৷ সুলক্ষণা ও চৈতন্য৷ মঙ্গলবার বিশ্ব গন্ডার দিবসে হাসিমারার সুভাষিণী চাবাগানের মাঠে বন দফতরের অনুষ্ঠানে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই অনুষ্ঠানেই ১৪২ কেজি বন্যপ্রাণীর দেহাংশ পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর হাড়, সিং , চামরা, দাঁত , নখ, সহ মোট ১৯৪ টি দেহাংশ এদিন পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়েছে।

এদিন সুভাষিণী চাবাগানের মাঠের অনুষ্ঠান শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে যান। সেখানে মাথায় জলপাই রঙের হ্য়াট পরে প্রায় এক ঘণ্টা জিপসি সাফারি করেন তিনি। সেই সাফারির সময় বাচ্চা সহ গণ্ডার, বাইসন দেখতে পেয়েছেন বলেও পরে জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জলদাপাড়া ও গোরুমারা জাতীয় উদ্যানের একশৃঙ্গ গণ্ডার পশ্চিমবঙ্গের গর্ব। এই দুর্লভ তৃণভোজী প্রাণীকে সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। এদিন সুভাষিণী চাবাগানের মাঠের অনুষ্ঠান শেষ করে মুখ্যমন্ত্রী জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে যান। সেখানে মাথায় জলপাই রঙের হ্য়াট পরে প্রায় এক ঘণ্টা জিপসি সাফারি করেন তিনি। সেই সাফারির সময় বাচ্চা সহ গণ্ডার, বাইসন দেখতে পেয়েছেন বলেও পরে জানান।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জলদাপাড়া ও গোরুমারা জাতীয় উদ্যানের একশৃঙ্গ গণ্ডার পশ্চিমবঙ্গের গর্ব। এই দুর্লভ তৃণভোজী প্রাণীকে সুরক্ষিত রাখতে রাজ্য সরকার বদ্ধপরিকর। এদিন শুধু সাফারি নয়, জলদাপাড়ার পিলখানায় থাকা দুই শাবক হাতিরও নামকরণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হাতির শাবকের নাম রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। মেয়ে হাতিটির নাম রাখা হয়েছে সুলক্ষণা। ছেলে হাতিটির নাম রাখা হয়েছে চৈতন্য। এই দুই শাবক হাতিই জলদাপাড়ার পিলখানায় কুনকি হাতিদের শাবক। তাদের বাবা মায়ের সঙ্গে মিলিয়ে নাম রাখা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। চৈতন্যর মায়ের নাম চৈতি। চৈতির ছেলে হওয়ায় ওই শাবক হাতির নাম রাখা হয়েছে চৈতন্য বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
এদিন জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের হলং এলাকায় পুড়ে হলং বনবাংলো পুননির্মাণের কাজও পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কাজে গতি আনার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন জলদাপাড়ার জঙ্গল থেকে বেড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগামী মার্চের মধ্যে হলং বনবাংলো নির্মাণের কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। জলদাপাড়ার জঙ্গলে সব দেখে ফেলেছি। বাচ্চা সহ গণ্ডার, বাইসন দেখেছি। বনাঞ্চলে খুব ভালো কাজ হচ্ছে। এখানে আধিকারিকরাও খুব ভালো কাজ করছেন। ভেতরে গণপতি পুজো করেছি। দুই শাবক হাতির নাম রেখেছি। তাদের বাবা মায়ের নাম অনুযায়ী পরম্পরা বজায় রেখে নাম রাখা হয়েছে।’’ শুভেন্দু জানান, ‘‘আগামী ২ অক্টোবর বক্সাতে বাঘ ছাড়া হবে । ওই দিন আমি ও কেন্দ্রীয় বনমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব দুইজনই উপস্থিত থাকব।’’

জানা গিয়েছে বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে একটি একটি বাঘিনী এনে বক্সা টাইগার রিজার্ভের জঙ্গলে ছাড়বে বনদফতর। ওই দিন আলিপুরদুয়ার শহরের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই সরকারি অনুষ্ঠান হবে। ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় বনমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব ও রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ ছাড়াও অন্যান্য মন্ত্রী আমলারা উপস্থিত থাকবেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ , স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন, স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা সহ বিজেপির বিধায়ক সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









