নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে কড়া উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল না আনতে পরামর্শ। জরুরি কারণে মোবাইল আনলেও রাখতে হবে সাইলেন্ট মোডে। জরুরি কারণ কী সেটা ঠিক করবে স্কুল কর্তৃপক্ষই। কোনও সেমিনার বা এই সংক্রান্ত কোনও বিষয় ছাড়া আর কোনও ক্ষেত্রেই আনা যাবে না মোবাইল।

অভিভাবকদেরও মোবাইল নিয়ে সচেতনতার বার্তা সংসদের। পড়ুয়ারা যাতে অকারণে মোবাইল নিয়ে স্কুলে না আসে তা দেখতে হবে অভিভাবক থেকে শিক্ষকদের। পাশাপাশি ডিজিটাল শৃঙ্খলা ও সাইবার নিরাপত্তাতেও জোর সংসদের। তা নিয়েও পুরোদমে চলছে চর্চা। সম্প্রতি রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকেই লাগাতার স্কুলে মোবাইলের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার খবর আসে। তাতে একাধারে যেমন পড়ুয়ারা পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়েছে তেমনই পড়াশোনার ক্ষেত্রে ব্যঘাতও ঘটছে। যথাযথ পঠনপাঠনের কথা ভেবে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নির্দেশ যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ওয়াকিবহাল মহলের বড় অংশের মতে, বর্তমান আধুনিক যুগে পড়াশোনার ক্ষেত্রে যেমন অন্তর্জাল, মোবাইলের ভূমিকা অনস্বীকার্য তেমনই অত্যধিক ব্যবহারও পড়াশোনার ক্ষেত্রে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। ২০২৪ সালে প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছিল নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ৬ পরীক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানের ওই নজরকাড়া সাফল্যের পর স্বামী ইষ্টেশানন্দ মহারাজ স্পষ্টতই বলেছিলেন, “একবিংশ শতাব্দীতে মোবাইল ফোনের গুরুত্ব আছে তা অনস্বীকার্য। তবে আমাদের এখানে ছাত্রদের হাতে মোবাইল ফোন থাকে না। নিরবিচ্ছিন্ন পড়াশোনা, একসঙ্গে বেড়ে ওঠাই ওদের কাছে প্রধান বিষয়।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









