নিজস্ব সংবাদদাতাঃ হুগলীঃ উত্তরপ্রদেশের মেরঠ কাণ্ডের ছায়া এবার এই রাজ্যে। গতকাল হুগলীর ভদ্রেশ্বরের শ্বেতপুরের দিল্লি রোড সংলগ্ন এলাকায় নীল ড্রাম থেকে উদ্ধার দেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন এলাকাবাসীরা ওই এলাকার জমিতে বস্তা বাঁধা নীল ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। এরপর চন্দননগর থানার পুলিশ ও ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে বস্তা থেকে ড্রাম বার করে তার ভিতর থেকে এক জন মধ্য বয়স্ক ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া গলা কাটা দেহটি নগ্ন এবং ঝলসানো ছিল। এরপর মৃতদেহটি চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, অন্য কোথাও খুন করে দেহ ড্রামে ভরে ভদ্রেশ্বরে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু কাকে কে বা কারা কেন খুন করেছে? তা জানতে তদন্ত চলছে।

প্রসঙ্গত, গত বছর মার্চে মেরঠে মার্চেন্ট নেভি অফিসারকে খুন করে নীল ড্রামে ঢুকিয়ে দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। তার পরে একধিক ‘নীল ড্রাম’ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ওই বছরের জুন মাসেই পঞ্জাবের লুধিয়ানায় একটি নীল ড্রাম থেকে এক তরুণের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলার সঙ্গে হাত ও পা বাঁধা ছিল দড়ি দিয়ে। গত বছরের অক্টোবরে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াসে নীল ড্রামের ভিতর থেকে ২২ বছরের তরুণীর হাত-পা বাঁধা পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছিল। এই ঘটনায় তাঁর ‘বন্ধু’ মনু ওরফে মনোজ চৌহান থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereচলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের ওযুধ ব্যবসায়ী মানবেন্দ্র সিংহকে গুলি করে মেরে দেহ খণ্ড করে অর্ধেক নীল ড্রামে রেখে অর্ধেক পাশের গ্রামে ফেলে দিয়েছিলেন ছেলে। এ বছরেরই মার্চ মাসে যোগী রাজ্যের বুলন্দ শহরের যুবক রাজকুমার দেখেছিলেন, সমাজমাধ্যমে তাঁর স্ত্রী লিখেছেন ‘নীল ড্রাম এবং সিমেন্ট’। ওই পোস্ট দেখেই স্ত্রীকে প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়েছিলেন স্বামী।











