"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে তীব্র ভাষায় বিঁধলেন রাহুল গান্ধী

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ দেশ জুড়ে করোনার প্রকোপ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। চারিদিকে যেন হাহাকার পড়ে গেছে। দেশ জুড়ে তৈরি হচ্ছে মৃতের পাহাড়। শ্মশান ও কবরস্থানে মৃতদেহ সৎকারের কোনো জায়গা নেই। ফলে গতকাল বিহারের বক্সারের পর আজও উত্তরপ্রদেশের গাজিপুরে গঙ্গার ধারে পচা গলা একাধিক লাশ ভেসে উঠেছে।

এ হেন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জাতীয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী আরো একবার আক্রমণ করলেন। এদিন সোশ্যাল মিডিয়াতে নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে টুইটের মাধ্যমে বলেছেন, “অগুন্তি মৃতদেহ নদীতে ভেসে যাচ্ছে। হাসপাতালের বাইরে মাইলের পর মাইল লাইন পড়ছে। মানুষের শান্তিতে নিরাপদে বেঁচে থাকার উপায়টাই কেড়ে নেওয়া হয়েছে”।

এর পাশাপাশি রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, “প্রধানমন্ত্রী, আপনি আপনার চোখ থেকে গোলাপী চশমাটা সরান। ওটার জন্যই আপনি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্ট ছাড়া আর কিছু দেখতে পান না”।


Rahul Gandhi
          @RahulGandhi
नदियों में बहते अनगिनत शव अस्पतालों में लाइनें मीलों तक जीवन सुरक्षा का छीना हक़! PM, वो गुलाबी चश्में उतारो जिससे सेंट्रल विस्टा के सिवा कुछ दिखता ही नहीं।

এদিকে দেশের এই রকম সংকটজনক পরিস্থিতিতে যেখানে করোনা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ, হাসপাতালে আইসিউ, ভেন্টিলেটর সহ অক্সিজেনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকাঠামো নেই সেখানে প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন বানানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে। ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে এই কাজ চালানো হচ্ছে।


ইতিমধ্যে গতকাল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীও এই নিয়ে সমালোচনা করে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, “এতো টাকা খরচ করে যে প্রজেক্ট বানানো হচ্ছে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে তা একেবারেই নিরর্থক। বরং ওই টাকায় কোটি কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ, অক্সিজেন সিলিন্ডার অথবা রেমডিসিভির ওষুধের বন্দোবস্ত করা যায়”।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930