"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

ফলতার ‘পুষ্পাকে’ রাস্তায় টি শার্ট-হাফ প্যান্ট পরিয়ে হাঁটালো পুলিশ

Share

পিঙ্কি পালঃ দক্ষিণ চব্বিশ পরগণাঃ মাত্র কয়েক মাস আগে পর্যন্ত তাঁর নামে এলাকায় নাকি বাঘে-গোরুতে এক ঘাটে জল খেত। শুধু ফলতা নয়, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বড় একটি এলাকায় দাপুটে তৃণমূল নেতা ছিলেন জাহাঙ্গির খান। কিন্তু রাজ্যে পালাবদল হতেই দাপট উধাও। গ্রেপ্তার করার পরে, বৃহস্পতিবার তাঁকে টি শার্ট-হাফ প্যান্ট পরিয়ে রাস্তায় হাঁটাল পুলিশ। জাহাঙ্গিরকে কার্যত বাধ্য ছেলের মতো রাস্তায় হাঁটতে দেখা যায়। মাঝে মাঝে মাথা নীচু করতেও দেখা যায় তাঁকে। কোনও কথা বলতে শোনা যায়নি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষ্য ছিলেন জাহাঙ্গির খান। তৃণমূলের অত্যন্ত দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলবাজি, হুমকি, ভোট পরবর্তী হিংসার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ভোটের আগে ওই এলাকায় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের উপর ব্যাপক হামলাও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ফলতায় তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে ফলতায় পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তার আগেই রাজ্যে পালাবদল হয়ে যায়। তখন থেকেই পুষ্পার হাওয়া-বদল দেখা গিয়েছে। পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে ভোটে লড়ছেন না বলে জানান, তারপরেই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন। তারপরে ওই ভোটে ফলতায় শোচনীয় ভাবে হেরেছেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তার পর থেকেই তাঁর খোঁজ শুরু করেছিল পুলিশ।

২৮ মে হাইকোর্টের রক্ষাকবচ শেষ হওয়ার পরেই হাওয়া হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পালিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। কয়েকদিন আগে ভারত-নেপাল সীমান্তে পানিট্যাঙ্কি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় জাহাঙ্গির খানকে। তারপরে সামনে এসেছিল তাঁর ধসে যাওয়া চেহারা। যিনি মাত্র মাসখানেক আগে নিজেকে পুষ্পা বলে কলার উঁচিয়ে দাবি করেছিলেন, তাঁর জন্য ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে কোনও আইনজীবী লড়তে চাননি। শেষ পর্যন্ত লিগাল এইডের এক আইনজীবী তাঁর হয়ে সওয়াল করেন। আদালতে তোলার সময়ে হয় ডিম-হামলাও।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930