অনুপ চট্টোপাধ্যায়ঃ কলকাতাঃ রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পরই বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় গঠন করেছিল ‘নব তৃণমূল ব্লক’। আর এবার সেই নতুন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও একাধিক। সব থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়-খোদ সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই কার্যত ধাক্কা বিদ্রোহীদের। নেই মমতার কোনও নাম। তাঁর জায়গায় নতুন তৃণমূলের চেয়ারম্যান অরূপ রায়। ফলত, তৃণমূলের পুরো রাশ এখন বিদ্রোহীদের হাতে। এবার প্রশ্ন তবে কি এবার প্রতীকের জন্য আবেদন করবেন বিদ্রোহীরা?

আজ ঋতব্রত ববন্দ্যোপাধ্যায় নিউটাউনের অভিজাত হোটেলে একটি বৈঠক হয়। সেখানে মমতাপন্থী তৃণমূলের কাউন্সিলর থেকে একাধিক বিধায়ককেও বৈঠকে যোগ দিতে দেখা যায়। আর সেখানেই নব তৃণমূলের পদ নির্বাচিত হয়। নব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক- জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিনা ইয়াসমিন আছেন।
কোষাধ্যক্ষ আখতারুজ্জামান।
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereভাইস প্রেসিডেন্ট– অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম,রথীন ঘোষ
চেয়ারম্যান– হাওড়া মধ্য-র বিধায়ক অরূপ রায়
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বিরোধী দলনেতা হিসাবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম বিধানসভায় পাঠানো হয়। একটি রেজুলিউশন কপিতে সত্তর জন বিধায়কের সই নিয়ে তা পাঠানো হয় বিধানসভায়। এরপর এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা আর উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন যে তাঁরা স্বাক্ষর করেননি। সই জাল করা হয়েছে। এরপর স্পিকারকে গিয়ে সেই নালিশ করেন তাঁরা। ধীরে-ধীরে ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিতে থাকেন তৃণমূলের জিতে আসা একাধিক বিধায়ক। হাত ছাড়তে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মামলার জল গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। স্পিকার ঋতব্রতকেই বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নেন। সেই থেকেই ভাগাভাগি শুরু।










