বাপি রায়ঃ কলকাতাঃ আগামী ১৪ ই সেপ্টেম্বর রাজ্য বিধানসভার স্বল্পকালীন অধিবেশন শুরু হবে। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাসভবন বিজয়কেতনের ঠিকানায় সেই অধিবেশনের বিজনেস অ্যাডভাইসরি (বিএ) কমিটির বৈঠকে ডাক পেলেন। আজ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।’’
কিন্তু গত ১১ বছর ধরে জেলবন্দি বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক বৈঠকে যোগ দিলেও এবার যে সেই বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন না তা বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন। তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই কমিটির সদস্য হওয়ায় ঔপচারিকতার কারণেই এই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে। ২০১১ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পরিষদীয় মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।
সেই সুবাদেই এই বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। গত ২৩ শে জুলাই তাঁকে ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) গ্রেফতার করার পর থেকে প্রথমে মন্ত্রী, পরে দলের মহাসচীব সহ সমস্ত পদ থেকে সরিয়ে সাসপেন্ড করা হয়। বিধানসভার কোনো স্ট্যান্ডিং বা অ্যাসেম্বলি কমিটিতেও রাখা হয়নি।

- Sponsored -
বিধানসভায় সচীবালয় সূত্রের দাবী, অধিবেশনের সময়ই কেবলমাত্র বিজনেস অ্যাডভাইসরি কমিটির বৈঠক বসে। এর মধ্যে ওই সভার কোনো বৈঠক না হওয়ায় সেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাম রয়ে গিয়েছে। তাই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বৈঠকে ডাকা নিয়ে নতুন করে বির্তক শুরু হয়েছে। যদিও বৈঠকেই তাঁর সর্বসম্মতিক্রমে সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাবে।
কারণ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে শাকদল আর কোনো কমিটিতে রাখার পক্ষপাতী নয়। তাই বিধানসভায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশ থেকে তাঁর আসন সরিয়ে সাধারণ বিধায়কদের মধ্যে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।