"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

ফের লঞ্চঘাটের জেটি ভেঙে বন্ধ লঞ্চ পরিষেবা

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ হাওড়াঃ রবিবার ও সোমবার গঙ্গায় আসা বানের তোড়ে আবার শিবপুর লঞ্চঘাটের জেটি ভেঙে গেছে। ২০১৫ সালের পর থেকে এই নিয়ে পঞ্চম বার এই ঘটনা ঘটলো। ফলে গতকাল থেকেই শিবপুর ঘাট ও বাবুঘাটের মধ্যে লঞ্চ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়। এর জেরে কয়েক হাজার নিত্যযাত্রী দুর্ভোগে পড়লেন।

হুগলী নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, বানের তোড়ে শিবপুর লঞ্চঘাটের গ্যাংওয়ের (জেটিতে হাঁটার রাস্তা) দু’টি মোটা লোহার শিকল ছিঁড়ে যায়। আর রেলিংয়ের একাংশও ভেঙে যাওয়ায় গ্যাংওয়েটি পন্টুন ডিঙিয়ে গঙ্গায় ঝুলতে থাকে। এছাড়া গ্যাংওয়ের নীচে থাকা বিম ভেঙে যায়। এই পরিস্থিতি দেখে লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। সমবায় সমিতির রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের কর্মীরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এরপর জেটির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।


পাশাপাশি টিকিট কাউন্টার বন্ধ করে লঞ্চঘাটে ঢোকার কোল্যাপসিবল গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে অভিযোগ ওঠে, ‘‘কয়েক বছর পর পরই বানের তোড়ে জেটি ভাঙে। কিন্তু কয়েক কোটি টাকা খরচ করে জেটি মেরামতি করার পরেও জেটি ভাঙার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।’’ আবার অনেকে জানান, ‘‘কোনো রক্ষণাবেক্ষণ হয় না। আলো ভেঙে ঝুলছে। গ্যাংওয়েতে যাওয়ার কংক্রিটের রাস্তার নীচে যে লোহার খাঁচা রয়েছে, তা মরচে ধরে ভেঙে গিয়েছে।


আর দ্রুত ওই লোহার খাঁচা না মেরামত করলে কংক্রিটের রাস্তাটি ভেঙে পড়তে পারে। তাতে মারাত্মক অঘটন ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।’’ এদিন হুগলী নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির পরিচালকমণ্ডলীর সদস্যেরা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে আসেন। সমবায় সমিতির এক জন কর্তা বলেন, ‘‘গ্যাংওয়েটি সরিয়ে শিকল দিয়ে বেঁধে ফেলার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। রাজ্য ভূতল পরিবহণ নিগমের সাথে এই বিষয়ে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’’ তবে লঞ্চ পরিষেবা চালু হবে কবে থেকে তা নিয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানানো হয়নি।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930