"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

এবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্পিকারের কাছে অভিযোগ লেখেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নয়া দিল্লিঃ প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া, পরে প্রকাশ্যে একে অপরকে কড়া ভাষায় আক্রমণ। এবার দুই সাংসদের তরজা লোকসভা অবধি পৌঁছে গেল। নিজের দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার গালিগালাজের অভিযোগ তুলে স্পিকারের কাছে অভিযোগ করেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগ, ‘‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদের ভিতরে আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করেছেন।’’ এই বিষয়ে স্পিকার যেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন সেই আবেদন করেছেন। আবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবী, ‘‘এটা আসলে আফটারশক।’’

লোকসভার মুখ্য সচেতন পদ থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্য সচেতক করতেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার বেসুরো হয়ে পড়েছেন। এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় অসন্তোষ প্রকাশও করেন। তারপরই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে সরব হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই দলের একাধিক পদ থেকে ইস্তফাও দিয়েছেন। সম্প্রতি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও মহিলা সাংসদদের হেনস্থার অভিযোগ তোলেন। গালিগালাজেরও অভিযোগ তুলেছেন। কিন্তু পাল্টা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘‘কাকলির মুখেই কু-কথা শোনা যায়।’’

কাকলি ঘোষ দস্তিদার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পাঠানো অভিযোগ পত্রে লেখেন, “আপনার কাছ থেকে লোকসভার সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফর্ম্যাল অভিযোগ দায়ের করার অনুমতি চাইছি। আমাকে লোকসভার ভিতরে বারবার মৌখিকভাবে অপমান করেছেন। এই ধরণের নারীবিদ্বেষী আচরণ শুধু আমার বিরুদ্ধেই নয়, বহু মহিলা সাংসদের বিরুদ্ধেও হয়েছে। এর উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।” এদিকে, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি কোনো চিঠি পাইনি। যদি স্পিকার এই বিষয়ে কোনো ব্যাখা চান, তাহলে তিনি উত্তর দিয়ে দেবেন। এটা শুধুমাত্র নিজের বাজারদর বাড়ানো ছাড়া আর কিছু নয়।”


আর চিঠিতে আজকের তারিখ অর্থাৎ ২৮ শে মের উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু আজ ছুটি, তিনি অভিযোগ করলেন কিভাবে তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন? পাশাপাশি এও বলেছেন, “অভিযোগ থাকলে আগে জানানো হয়নি কেন? এতদিন পর জানানো হচ্ছে কেন? প্রথম বিষয় হলো এই অভিযোগ মিথ্যে। আর এটা আফটারশক।” প্রসঙ্গত, নিয়ম অনুযায়ী, দলীয় সাংসদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা প্রথমে দলের কাছে জানাতে হয়। সেখানে খাতায়-কলমে সংসদীয় দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানানো উচিত। তা না জানিয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার সরাসরি স্পিকারের দ্বারস্থ হলেন কেন? সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930