নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নদীয়াঃ বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জোর চর্চা। সেই চর্চা তাঁর জেলা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই শুরু হয়। এমনকি দলের কৌশলগত অবস্থান ও ভোটকুশলী সংস্থার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রের ‘Y’ ক্যাটাগরীর নিরাপত্তা পান। আর আজ কাকলি ঘোষ দস্তিদার নদীয়ার কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক সভায় যোগ দিতেই আরো জল্পনা বাড়ে।

এদিন কাকলি ঘোষ দস্তিদার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান ‘‘প্রশাসনিক সভায় যে কেউ আসতে পারেন।’’ এবার তা নিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনিক সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ‘‘বারাসাতের সাংসদকে বিশেষ বিশেষ ভাবে ডেকেছিলাম, উনি এসেছেন।’’ তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য যথেষ্টই ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সৌজন্যের বার্তা দিয়েেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আমরা তো গত পাঁচ বছর কোনও প্রশাসনিক বৈঠকে ডাকই পাইনি। তবে আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলাম, আমাদের বৈঠকে বিরোধীদের সকলকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে।”

এদিন এদিন বৈঠকে বারাসতের বিরোধী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার- সহ বসিরহাটের বিধায়কদের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করে তিনি। এদিনের বৈঠকে দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান বিদেশ, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন, স্বরূপনগরের বিধায়ক বীনা মণ্ডল। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্মান দেওয়ার বিষয়টি রাজ্য ও জাতীয় স্তরের ক্যাডার বিধিতে স্পষ্ট বলা রয়েছে। এমনকি বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের বৈঠকে বক্তব্য রাখার সুযোগও দেওয়া হয়েছেকেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই মানুষ ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের আসল সুফল পান। ভোটের সময়ে রাজনৈতিক কচকচানি চলতেই পারে, কিন্তু বছরের বাকি সময়টা আমরা ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভাবনা নিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করব।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here









