"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

এবিভিপি ও এসএফআই সংঘর্ষে উত্তপ্ত ঘাটাল কলেজ চত্বর

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ মেদিনীপুরঃ কলেজের নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের সাহায্য করবে কারা? এই নিয়েই সংঘর্ষে জড়াল এবিভিপি ও এসএফআইয়ের সদস্যরা। উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল কলেজ চত্বর। ঘাটাল কলেজের সামনে ঘাটাল-পাঁশকুড়া রাজ্য সড়ক অবরোধ করলেন এবিভিপি সদস্যরা। তাঁদের দাবি, এসএফআইয়ের বহিরাগতরা কলেজে এসে গন্ডগোল শুরু করে। অভিযোগ, তাদের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সৌমিক অধিকারীকে মারধর করেন SFI-র কর্মীরা। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানায় এবিভিপি। পাল্টা এবিভিপির বিরুদ্ধে মারধর ও SFI মহিলা নেত্রীকে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ উঠল।

ঘাটাল কলেজের নতুন পড়ুয়াদের ভেরিফিকেশনে সাহায্য করার জন্য সোমবার কলেজের সামনে ক্যাম্প করে এবিভিপি ও এসএফআই। সেই ক্যাম্প ঘিরেই বচসায় জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন এবিভিপি ও এসএফআই সদস্যরা। কলেজ চত্বরে উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে আসে পুলিশ। SFI সদস্য এক ছাত্রী বলেন, “আমার শরীরের যেখানে সেখানে হাত দিয়েছে। জড়িয়ে ধরে ঠেলে ফেলে দিয়েছে। আমরা নতুন পড়ুয়াদের আমরা সাহায্য করছিলাম। যারা নতুন ভর্তি হয়েছে, তাদের ভেরিফিকেশন হচ্ছিল। পড়ুয়াদের সাহায্য করতেই আমরা এসেছিলাম। ওরা বলে, তোরা কেন সাহায্য করতে এসেছিস?” 

অন্যদিকে, এবিভিপি-র বক্তব্য, “এসএফআইয়ের কারও গায়ে হাত দেওয়া হয়নি। কিন্তু, এসএফআইয়ের কিছু বহিরাগত ছাত্র আমাদের ABVP-র জেলা সম্পাদক সৌমিক অধিকারীকে এমন মেরেছে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। এর বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদে নেমেছি। আমাদের সংগঠন জানিয়েছে, কোনওভাবেই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা যাবে না। তাই আমাদের হাতে ক্ষমতা থাকলেও আমরা এসএফআইয়ের কারও গায়ে হাত দিইনি। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলনে নেমেছি। তবে এসএফআইকে বলছি, এই নোংরামো চললে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। আমাদের একটাই দাবি, এসএফআইয়ের বহিরাগতদের গ্রেফতার করতে হবে। যদি একদিনের মধ্যে গ্রেফতার করা না হয়, আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।”


SFI-র জেলা সহ-সম্পাদক এসকে মিলন বলেন, “এবিভিপি যদি মনে করে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বলে ওরা যা খুশি করবে, তা হবে না। আমরা পড়ুয়াদের সাহায্য করতে ক্যাম্প করেছিলাম। আবার করব।” ঘাটাল কলেজে দুই ছাত্র সংগঠনের গন্ডগোল প্রসঙ্গে এবিভিপির রাজ্য মিডিয়া ইনচার্জ অনন্ত বারুই বলেন, “মে মাসের ৪ তারিখের পর থেকে বাম মেজ, বাম সেজ, বামের কিছু বহিরাগত কাকারা কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রছাত্রীদের প্রভাবিত এবং ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। আজ অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ থেকে প্রত্যেকটা কলেজ ক্যাম্পাস নতুন ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার্থে হেল্প ডেক্স বসানোয় তাদের গায়ে এলার্জি লাগে। সেটা সহ্য না হওয়ায় তারা আমাদের কার্যকর্তাদের উপর হামলা করে। বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রীদের উপরও আঘাত করার চেষ্টা করে। এবিভিপি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং প্রশাসনের কাছে এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির দাবি জানাচ্ছে।”


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031