রায়া দাসঃ কলকাতাঃ ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ভোট পরবর্তী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত কমিশনের। থাকবে ৫০০ কোম্পানি সিএপিএফ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। ইভিএম, স্ট্রং রুম এবং গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য থাকছে ২০০ কোম্পানি সিএপিএফ। যতক্ষণ না গণনার কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাঁদের রেখে দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় নানা জায়গাতেই রিপোলের দাবিও ওঠে। তাই সে ক্ষেত্রে যাতে নতুন করে কোনও গোলযোগ না হয়, নতুন করে যাতে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি না হয়, স্ট্রং রুম যাতে নষ্ট করে ফেলা না হয়, ইভিএমের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় এই সমস্ত কারণেই আরও ২০০ কোম্পানি সিএপিএফ জওয়ানদের রাখা হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই এই পদক্ষেপের পথে হাঁটছে কমিশন। প্রায় প্রতি ভোটেই বেনজির হিংসার অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন শেষ হলেও ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগেরও অন্ত নেই। ঝরেছে রক্ত, গিয়েছে প্রাণ।

শেষ বিধানসভা নির্বাচন নিহত অভিজৎ সরকার থেকে উপনির্বাচনে তামান্নার মৃত্যুতে বারবার প্রশ্ন উঠেছে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে। অনেকেই বলছেন, সেই সব ছবি মনে করেই আর কোনও রিস্ক নিতে চাইছে না কমিশন। সে কারণেই আগেভাগে প্রস্তুতি। তবে এই প্রথম যে ভোটের পরে বাংলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকতে চলেছে এমনটা নয়। এর আগেও সেই ছবি দেখা গিয়েছে। কিন্তু এভাবে এই বড় সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। সোজা কথায়, ভোটের সময় বাংলায় মোতায়েন থাকছে আড়াই হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার মধ্যে ভোট মিটলে বাংলায় থেকে যাচ্ছে ৭০০ কোম্পানি।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here










