চয়ন রায়ঃ কলকাতাঃ আজ বাংলা পক্ষের প্রতিষ্ঠাতা তথা সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে দেশপ্রিয় পার্ক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হলো। কলকাতা পুলিশের সাইবার সেল গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের সময় তাঁর পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসারের কাছ থেকে ২৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে।

গত ৪ ঠা মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়। তখন গর্গ চট্টোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। অভিযোগ করেন, “ইভিএম হাতবদল হয়েছে।” আর এই ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে কলকাতা উত্তরের ডিইও স্মিতা পান্ডে গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে এফআইআর দায়ের করেন। সেই এফআইআরের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারী।

পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ এই প্রসঙ্গে জানান, “কলকাতা উত্তরের ডিইওর অভিযোগের ভিত্তিতে দু’বার ডাকা হয়েছিল। আসেননি। তাই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর সাথে থাকা বারুইপুর পুলিশ জেলার একজন পুলিশকর্মী ছিলেন। তাঁর কাছে থেকে কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে। গর্গের কাছ থেকে কোনো কার্তুজ পাওয়া যায়নি। এর আগে একটা স্বতঃপ্রণোদিত মামলা ছিল। সেই মামলাতেও শোন অ্যারেস্ট করা হয়েছে।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Here
উল্লেখ্য, গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের পরিচিতি বাংলা পক্ষকে ঘিরে। ২০১৮ সালের ৭ ই জানুয়ারী বাংলা পক্ষ প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে বাঙালীদের অধিকার, ভাষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে এফআইআর দায়ের করেন। সেই এফআইআরের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারী।বাসিন্দাদের জন্য একশো শতাংশ সংরক্ষণের দাবী জানায় ও উত্তর অন্য ক্ষেত্রগুলিতে বাংলার বাসিন্দাদের জন্য ৯০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি তাদের।

গর্গের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতার কথা প্রায়ই শোনা যায়। এর আগে ২০২২ সালে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। ২০২০ সালের জুনে অহোম সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অপমানজনক মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল গর্গের বিরুদ্ধে। অসমের একাধিক জেলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেইসময় আদালত ২ বার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। অভিযোগ ওঠে, বাংলার তৎকালীন সরকারের অসহযোগিতায় গর্গকে প্রথমে গ্রেফতার করা যায়নি। পরে আদালত নতুন করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে গর্গকে গ্রেফতারের জন্য কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছিল। তারপরই গ্রেফতার করা হয়েছিল গর্গকে। পরে শর্তসাপেক্ষে জামিন পান বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক।
Sponsored Ads
Display Your Ads Here










