মিনাক্ষী দাসঃ উত্তর চব্বিশ পরগণাঃ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার প্রবল বিক্ষোভের মুখে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবারের বারবেলায় চরম অশান্তি। তাঁকে লক্ষ্য করে উঠল চোর চোর স্লোগান। গাড়ি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হলো জুতো।

পুলিশী হেফাজতে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় এক তৃণমূল কর্মীর। দলের সেই কর্মীকেই দেখতে যাচ্ছিলেন তিনি। মমতা ছিলেন গাড়িতে। বরাবরের মতো গাড়ির সামনে বসেছিলেন তিনি। সেই সময় আচমকা বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। একই সঙ্গে তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও দোলা সেনও। এখানে উল্লেখ্য, গত ৪ মে-র পর এই প্রথম জেলায় এলেন মমতা। এর আগে নিজের বাড়ির সামনে মিটিং মিছিল করেছিলেন ঠিকই, একবার হাইকোর্ট যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে এই প্রথম পথে নামলেন তিনি। আর তখনই উঠল চোর স্লোগান। বলা হল, ‘ওই দেখো চোর এসেছে…।’ এমনকি, গালিগালাজও করা হয় তাঁকে।
এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের গাড়িতে প্রচুর ইট ছোঁড়া হয়েছে। এত ইট মেরেছে কল্পনা করতে পারবেন না। এক ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখেছিল। বিজেপির লোক জোগাড় করে এই সব করানো হয়েছে। যিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি নিজে বাইরে রয়েছেন। পুরো গাড়িতে ইট মারতে মারতে গেছে।” তাঁর সংযোজন, “আমি বেরবোই। বিজেপি ভয় পায় আমায়। এই ভাবে আমায় আটকাতে পারবে না…ওরা ভয় পাচ্ছে কারণ ওদের মুখোশ খুলে যাবে।”
Sponsored Ads
Display Your Ads Hereএদিকে বিক্ষোভকারী এক ব্যক্তি বলেন, “এত দিন এই ওয়ার্ডে এসেছেন? বিজ্জুর নাম নিয়েছে কোনোদিন?কালকে মারা গিয়েছে আজ এসে হাজির।” অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শকুনের মতো মৃতদেহ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। কালকে ঘটনা ঘটেছে। যদি কোনো এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে অবশ্যই শাস্তি হবে। এখন গোটা বাংলার মানুষ শান্তিতে বাস করছেন তাই চোরকে তো চোরই বলবে।”









