"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

"INDIAN PRIME TIME" MSME Registration No: UDYAM - WB - 10 - 0189506

বাড়ি ফেরার পথে নৌকা থেকে পড়ে মৃত্যু হলো একাদশ শ্রেণীর ছাত্রের

Share

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ নদীয়াঃ টিউশন পড়ে বাড়ি ফেরার পথে নদীয়ার কাটোয়া-বল্লভপাড়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। এদিন একাদশ শ্রেণীর ছাত্র নৌকা থেকে নদীতে পড়ে একেবারব তলিয়ে যায়। এই ঘটনায় মাঝি ও ঘাট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভ শুরু হয়। বেশ কিছুক্ষণ ফেরিঘাট বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মৃত তরুণের নাম আকাশ সাহা। বল্লভপাড়ার বাসিন্দা।

জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো এদিনও আকাশ টিউশন পড়ে বাড়ি ফিরছিল। আর বাড়ি ফেরার জন্য নৌকোতেই চেপেছিল সে। হঠাৎ পা পিছলে যায় তার। তারপরই নদীতে পড়ে যায় ছাত্রটি। প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, নদীতে পড়ে যাওয়ার পর কেউ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা পর্যন্ত করেনি। নৌকায় অনেক লাইফ জ্যাকেটও ছিল। কিন্তু যখন ছাত্রটি ডুবে যাচ্ছিল, তখন একটা লাইফ জ্যাকেটও ছুড়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

জনি মোল্লা নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “ছাত্রটা পিঠে ব্যাগ নিয়ে নৌকায় বসেছিল। আমরা পাশের ঘাটে বসেছিলাম। বাচ্চাটা পড়ে গেল। আমরা তখন দেখতে পাচ্ছি। ভাবছিলাম নৌকার যাত্রীরা বা মাঝি রয়েছে, তাঁরা কিছু একটা ব্যবস্থা করবে। দেখলাম বাচ্চাটা যখন ডুবে যাচ্ছে, সেইসময় আমরা দুইজন নদীতে ঝাঁপ দিই। জলে নামার পর যখন ছেলেটির কাছে প্রায় পৌঁছে গেলাম, তখন দেখলাম বাচ্চাটি জলের নিচে তলিয়ে গেল। মাত্র দুই হাত দূরেই ছিল। কিন্তু বাঁচাতে পারলাম না। নৌকাতে লাইফ জ্যাকেটও ছিল। কিন্ত, একবারও তা নদীতে ফেলার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘাটের কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জন্য একটা বাচ্চার প্রাণ চলে গেল।”


প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। ঘাট কর্তৃপক্ষের গাফিলতি নিয়ে বারবার অভিযোগ জানিয়েও কিছু হয়নি। ঘাট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন ক্ষুব্ধ জনতা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পরই কাটোয়া-বল্লভপাড়া ফেরিঘাটে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। ছাত্রের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাটোয়া থানার পুলিশ। কেন ছাত্রকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হল না, কী হয়েছিল, ঘাট কর্তৃপক্ষের আদৌ কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


DISCLAIMER: This channel does not promote any violent, Harmful or illegal activities. All content provided by this channel is meant for an educational purpose only.

Share this article

Facebook
Twitter X
WhatsApp
Telegram
 
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930